ত্রাণ পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করছে রাজ্য

Cyclone Jash-1

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ আছড়ে পড়ে। তার জেরে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে কয়েকটি জেলায়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্যাত্রাণে পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে নবান্ন। সূত্রের খবর, ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’-এর তাণ্ডবে ক্ষয়-ক্ষতি সামাল দেওয়ার পাশাপাশি আসন্ন বর্ষায় ভরা কোটালে বিপদের আশঙ্কায় ত্রাণ পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করছে রাজ্য সরকার।

এ বিষয়ে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫০০টি ‘ফ্লাড শেল্টার’ বা বন্যাকালীন আশ্রয় শিবির, হিমঘর ও গুদামঘর তৈরির জন্য নীতি আয়োগকে চিঠি লিখবে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে আগামী দিনে ভরা কোটালে জলাশয় উপচে পড়লে জল ছাড়ার প্রয়োজন দেখা দিলে, তা প্রশাসনের উচ্চতর স্তরে জানাতে বলা হয়েছে জেলাশাসকদের।

নবান্ন সূত্রের আরও খবর, হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, এমনটা আন্দাজ করতে পারলে সেই বিষয়ে রাজ্যকে ওয়াকিবহাল রাখতে হবে জেলা প্রশাসনকেই। পাশাপাশি আগাম জল ছাড়া ও বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরানোর ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা তৈরি করে রাখতে হবে। আবার জেলা স্তরে ওষুধ, শিশুখাদ্য-সহ পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার কথাও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ‘যশ’-এ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত ২.২১ লক্ষ হেক্টর কৃষি-জমি ও উদ্যানপালনের ৭১,৫৬০ হেক্টর জমি নষ্ট হয়েছে। বিপর্যস্ত এলাকার ব্লকে ব্লকে ‘দুয়ারে ত্রাণ’ কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ত্রাণের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদেরই আবেদন করতে হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ‘দুয়ারে ত্রাণ’ কর্মসূচির শিবির বসবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *