kotal and sandeshkhaliBreaking News Others 

সুন্দরবনে “যশ” ক্ষত দগদগে-আবারও ভয় “ভরা কোটাল”

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: “যশ” ক্ষত এখনও দগদগে। এরপর আবার ভরা কোটাল। সুন্দরবনের মানুষ তাই আতঙ্কে। আবারও কোটালের আতঙ্ক গ্রাস করছে সুন্দরবনে। পূর্ণিমার ভরা কোটাল। জলস্ফীতি দেখা দেবে সুন্দরবন উপকূল এলাকার নদীগুলিতে ৷ সূত্রের খবর,গত ২৬ মে”যশ” ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ে। পূর্ণিমার ভরা কোটালও ছিল। জোড়া ফলায় বিদ্ধ হয়েছিল সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা । আবারও কোটালের জেরে আতঙ্ক বেড়েছে সুন্দরবনে।

স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, ইতিমধ্যেই জল বাড়তে শুরু করে দিয়েছে সুন্দরবনের ৬ টি ব্লকের নদীগুলিতে। হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, সন্দেশখালি- ১, সন্দেশখালি-২, হাড়োয়া ও মিনাখাঁর মধ্যে দিয়ে মাতলা, রায়মঙ্গল, কালিন্দী, ডাসা, বিদ্যাধরী, গৌড়েশ্বর ও কলাগাছির মতো নদীগুলো রয়েছে। এরমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বর্ষাকালের বৃষ্টি। এই আবহে শঙ্কিত সুন্দরবনের বাসিন্দারা। ঘর ছেড়ে নদী বাঁধের উপরে অথবা রাস্তার ধারে ত্রিপল টানিয়ে বসবাস করছেন সন্দেশখালির ভোলাখালি, ন্যাজাট, কালিনগর, ধামাখালি ও হাটগাছির অসহায় মানুষ। সেই বিপর্যয়ের পরও এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি অনেকে।

উল্লেখ করা যায়,আবার কোথাও জলের স্রোতে নদীগর্ভে চলে গিয়েছে বাড়ি-ঘর। কোথাও টালি বা বিজলির ছাউনির ঘর পড়ে গিয়েছে। মাটির বাড়িও ভেসে গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সুন্দরবনের একাধিক জায়গায় নদীবাঁধ মেরামতির কাজ করেছে প্রশাসন। “যশ” প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘোড়ামারা দ্বীপ, মৌসুনি দ্বীপ, কুলতলি সহ উপকূল তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা ৷ পাশাপাশি পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুর, জি প্লটের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়।

জানা গিয়েছে,সুন্দরবনের একাধিক উপকূল তীরবর্তী এলাকার জলপথে পরিদর্শন করেছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। ভরা কোটালের মোকাবিলায় দফায় দফায় বৈঠকও হয়েছে নবান্নে। সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষজনকে ত্রাণশিবিরে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে স্থানীয় প্রশাসন,এমনটাও জানা গিয়েছে।

Related posts

Leave a Comment