evm and election 2Breaking News Others Politics 

৪ উপনির্বাচনের মহড়া-একনজর বিশ্লেষকদের মত

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কাল ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন। দিনহাটা,শান্তিপুর,খড়দা ও গোসাবা বিধানসভার উপনির্বাচনকে ঘিরে তৎপরতা তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি নিয়ে চলেছে। জেলার সীমান্তগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। করোনা বিধি মেনেই চলবে ভোট গ্রহণ পর্ব। দিনহাটা,খড়দা ও গোসাবায় এই নির্বাচন হচ্ছে ত্রিমুখী। কেবলমাত্র শান্তিপুরে ভোট হবে চতুর্মুখী। বিশ্লেষকরা বলছেন,এই নির্বাচন শাসক দলের কাছে চ্যালেঞ্জের। বিজেপির কাছেও কঠিন লড়াই। রাম থেকে কি বামে ফিরছে মানুষ,সেটাও বুঝে নেওয়া।

একনজর দেখে নেওয়া যাক দিনহাটার প্রার্থীদের। এই উপনির্বাচনের আসনটিতে লড়ছেন তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ, বিজেপি প্রার্থী অশোক মণ্ডল ও বাম প্রার্থী আবদুর রউফ। খড়দা আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন জয় সাহা। বাম শিবিরের প্রার্থী সিপিএমের দেবজ্যোতি দাস। গোসাবা বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল। বিজেপি প্রার্থী পলাশ রানা। বাম প্রার্থী হিসাবে লড়ছেন অনিলচন্দ্র মণ্ডল। শান্তিপুরে তৃণমূল প্রার্থী করেছে ব্রজকিশোর গোস্বামীকে। বিজেপি প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস। বাম প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। কংগ্রেস এই কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে। এখানে কংগ্রেস প্রার্থী রাজু পাল।

এবার দেখে নেওয়া যাক এই সব ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে বুথ সংখ্যা। দিনহাটায় বুথ সংখ্যা-৪১৭,খড়দায় বুথ সংখ্যা-৩৩৫,শান্তিপুরে বুথ সংখ্যা ৩৫৫ ও গোসাবায় বুথ সংখ্যা ৩৩০টি। বিধানসভার উপনির্বাচনগুলিতে ভোটার সংখ্যা-দিনহাটায় মোট ভোটার ২লক্ষ ৯৮হাজার ৬৭জন। শান্তিপুরে মোট ভোটার লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৮৯ জন। খড়দায় মোট ভোটার ২লক্ষ ৩২ হাজার ৩৪৮ জন। গোসাবায় মোট ভোটার ২লক্ষ ৩০ হাজার ২৩০ জন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, দিনহাটায় মোতায়েন রয়েছে ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার খড়দহে ২০ কোম্পানি, শান্তিপুরে ২২ কোম্পানি ও গোসাবায় ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। বেশি সংখ্যক ভোটারকে ভোটমুখী করাই এই উপনির্বাচনে অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

১১০টি অতি স্পর্শকাতর বুথে সিসি টিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে বলে খবর। চলছে নাকা চেকিং। সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদ গোসাবায় নদীপথে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছেন ভোট কর্মীরা। জয়ের ব্যবধান নিয়ে অঙ্ক কষছে তৃণমূল। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি শিবিরও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,এই উপনির্বাচনের দু -একটি কেন্দ্রে বিজেপিকে টক্কর দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ওঠে আসবে বামেরা। শূন্য বিধানসভার একটি আসনের লক্ষ্যে পাখির চোখ করছে লাল শিবির। আগামী কাল ৩০ অক্টোবরের এই ভোটের ফলাফল বের হবে ২ নভেম্বর। সে দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Related posts

Leave a Comment