তীব্র গরম ও রোদের ঝলক থেকে বাঁচতে কী করণীয়
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরম। আর রোদের ঝলক। দাবদাহের পরিবেশ। সূর্যের কিরণে পোড়া ভাব হয়ে যাচ্ছে ত্বক। এই সময় হাইপারথার্মিয়া-য় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।একে বলা হয় “হিট ইলনেস” । এটি তাপমাত্রাজনিত অসুস্থতা ৷ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন,৪ বছর বয়সী শিশু থেকে ৬৫ বছর বয়সীরা আক্রান্ত হতে পারেন এই সময় ৷ শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়লে এই সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে শরীর খুব ঠান্ডা হয়ে গেলে তখন তাকে বলে “হাইপোথার্মিয়া”৷
হিট স্ট্রোক হাইপারথার্মিয়ার সবথেকে বিপদের দিক। শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে সেক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ে। মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গে এর প্রভাব পড়তে পারে ৷ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ৷ তীব্র গরম ও আর্দ্রতায় বা চড়া রোদে অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে এই সমস্যা দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়াতে দীর্ঘ সময় থাকলে হাইপোথার্মিয়া হওয়ার বেশি সম্ভাবনা। শরীরে তাপমাত্রা চূড়ান্তভাবে বেড়ে গেলে এমনটা হতে পারে। হিট ক্র্যাম্প-ঘামের ফলে শরীর থেকে নুনজল বেরিয়ে গেলে পেশিতে অনেক সময় টান পড়ে ৷ এক্ষেত্রে হাত ও পায়ের পেশিতে টান পড়তে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ক্লান্তি-শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোক হতে পারে ৷ ত্বকের সংক্রমণও হতে পারে। অনেক সময় লাল ব্রণ বা ফোস্কার মতো সংক্রমণ হতে দেখা যায় । কনুইয়ে, স্তনের নীচে,ঘাড়ে বা যৌনাঙ্গে এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
আবার হিট স্ট্রেস-এর সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দমকলবাহিনী, খনি ও কনস্ট্রাকশন এলাকায় যে সব মানুষ কাজ করে থাকেন তাঁদের এই ধরণের অবসাদ দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গ প্রভাবিত হতে পারে।
এই সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা মেনে চলার জন্য।
(১)তাপপ্রবাহ চলাকালীন শীতল জায়গায় থাকতে হবে। (২)রোদ এড়িয়ে চলা উচিত । (৩)কাজের মধ্যে থাকলে নুন ও চিনির জল পান করতে হবে।
(৪)শিশু ও পোষ্যদের রোদে বা বন্ধ গাড়িতে রাখবেন না। (৫)হালকা রঙের সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পড়তে হবে। (৬) ছাতা ও রোদ চশমা ব্যবহার করতে হবে। (৭) প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না।

