বিশ্বকর্মার অভিন্নরূপ : পুজো ঘিরে ব্যস্ততা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকর্মা পুজো আগত । তারই প্রস্তুতি চলেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর এই পুজোর আয়োজন ঘিরে মৃৎশিল্পীদের তৎপরতা তুঙ্গে । ঘুড়ি তৈরির শিল্পীদেরও ব্যস্ততা বেড়েছে। শাস্ত্রকাররা বলে থাকেন,বিশ্বকর্মা “ধাতা” ও ” বিধাতা” – একাধারে স্রষ্ট ও পালনকর্তা। বিশ্বকর্মার অবাধ প্রবেশ ঘটে থাকে গৃহকোণ থেকে সর্বত্র। তাঁকে বিশ্বস্রষ্টা হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। বিভিন্ন পুরাণে বিশ্বকর্মার জন্ম বৃত্তান্ত ভিন্ন ভিন্ন বলা হয়েছে। বিশ্বকর্মা শিল্পের অধিপতি। দেব শিল্পী হিসেবেও বর্ণনা করা হয়ে থাকে। সাহিত্য,ধর্ম,জীবন-জীবিকা সহ নানাভাবে জুড়ে-জড়িয়ে রয়েছে বিশ্বকর্মা।
পুরাণ মতে,বিশ্বস্রষ্টার জন্ম হয়েছিল ব্রম্ভার নাভিদেশ থেকে। বিশ্বকর্মার অভিন্ন রূপ। দেবশিল্পী ও দেবদেবীর অস্ত্রনির্মাতা। অন্যদিকে বলা হয়ে থাকে,বাস্তুবিদ্যা,নগর পরিকল্পনায় বিশ্বকর্মা জ্ঞান ও কর্মের সাক্ষ্য বহন করে। পৌরাণিক মতে, বিশ্বকর্মা শিল্পনৈপুণ্য ফুটিয়ে তোলে। বিশ্বকর্মা হলেন কর্মবীর। তাই তাঁর বাহন হওয়ার যোগ্য হাতি। পরিবহণ কাজে দক্ষ হওয়ার কারণে তার প্রভুকে বহনেওসক্ষম হাতি। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষ্যে সাজো সাজো রব। (ছবি: সংগৃহীত)

