durga and nature 2Entertainment Others 

দুর্গা মায়ের আগমনে জগৎ ভিন্ন রূপে

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আগত মহালয়ার শুভ মুহূর্ত । পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হবে । মায়ের আগমনে অমাবস্যার অন্ধকার দূর হবে। আলোক ময় পরিবেশও তৈরি হবে। তাই প্রকৃতি-পরিবেশ ও জগৎ ভিন্ন রূপে। দেবী দুর্গাই মহা-আলয় বা মহা আশ্রয় বলে মনে করেন পণ্ডিত-সাধক ও শাস্ত্রবিশেষজ্ঞরা। দেবীর আগমন ও গমনে জগৎ ও প্রকৃতির ভালো-মন্দ নির্ভর করে থাকে। দুর্গা মায়ের গজে আগমন ও নৌকায় গমন। দেবী মায়ের আসা যাওয়ার ওপর শুভ-অশুভ,রোগ,জীবন-জীবিকা সহ অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে।

দুর্গা মায়ের আগমনী বার্তায় বা মহালয়ার পুণ্যলগ্নে সূর্য উত্তরায়ণের চরম বিন্দুতে এসে পৌঁছে যায়। পণ্ডিত-সাধক ও শাস্ত্রবিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বলেছেন, সূর্যের রশ্মি বা আলো সবচেয়ে বেশি বর্ষিত হয়। আলো ঝলমলে সুদীর্ঘ দিন। দিনান্তে বা সূর্য অস্তাচলে যাওয়ার পর পূর্ণিমার চাঁদের উজ্জ্বল আলো দেখা যায় আকাশ জুড়ে। এই সময় উত্তরায়ণের সমাপ্তি এবং দক্ষিণায়ণের শুরু।

দুর্গা মাতা বাঙালির ঘরের কন্যার সমাদর পেয়ে থাকেন। তাই বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতিতে আগমনী গান গুরুত্ব পেয়েছে। উমা পতিগৃহ থেকে পিতৃগৃহে আসা উপলক্ষ্যে আগমনী গানে তা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। “যাও গিরিরাজ আনিতে আমার উমারে…” । গিরিরাজ হিমালয়ের কাছে মেনকার আবেদন গানের মাধ্যমে তুলে ধরার চল বঙ্গ সংস্কৃতিতে তুলে ধরা হয়। মায়ের আসার আনন্দ-উচ্ছাস প্রকাশ পেয়ে থাকে প্রকৃতির পরশে। দেবী মা বিশ্বজনীন। জগৎ আনন্দে তাই মগ্ন। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment