প্লাস্টিক বর্জনের সচেতনতা : প্লাস্টিক বর্জনের উদ্যোগ
প্লাস্টিক বর্জনের সচেতনতা। প্লাস্টিক বর্জনের উদ্যোগ। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন,শুধুমাত্র কাগুজে আইন করে এর ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। নজরদারি না বাড়ালে এক্ষেত্রে সুফল পাওয়াও সম্ভব নয়। প্লাস্টিক উৎপাদন বন্ধ করাটা জরুরি। পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকই শুধু তৈরি হোক, এই আন্দোলনটা গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ করা যায়,২০১৮ সালে ভারত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে “বিট প্লাস্টিক পলিউশন” শ্লোগানকে সামনে রেখে চর্চা ও প্রচার শুরু করে। পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার করা হলে পরিবেশে বা বাস্তুতন্ত্রে বিরূপ প্রভাব পড়বে না। প্লাস্টিক ব্যবহারে একদিকে পশুপাখি বা জলজ প্রাণীর যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি জলনিকাশি ব্যবস্থাও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে । একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে,রাস্তার নর্দমার মুখ প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যে আটকে যাচ্ছে । ফলে এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বাড়তে থাকে। আবার প্লাস্টিক আবর্জনা মাটিতে মিশলে মাটির উর্বরতা শক্তিও নষ্ট হয়। প্লাস্টিক প্যাকেট ও বোতল থেকেও নানা রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। প্লাস্টিক দূষণের কুফলটা বোঝাতে হবে জনমানসে। তাহলেই সুফল মিলবে। নজরদারি জোরদার না করলে এর থেকে মুক্তি মিলবে না। মানুষের সচেতনতা এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপটা এক্ষেত্রে খুবই জরুরি। (ছবি: সংগৃহিত)

