দেশি মাছের বিলুপ্তি : মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মত
একটা সময় আমাদের রাজ্যে ২৬৫ প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যেত। এই মুহূর্তে প্রায় ৪০টি প্রজাতির মাছের বিলুপ্তি ঘটেছে। এটা আমার কথা নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞদের মত। তোপসে,মৌরলা,খলসে,চিতল,নয়না,চাঁদা,পুটি প্রভৃতি দেশি মাছগুলি ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে বাঙালির পাত থেকে। “মাছে-ভাতে বাঙালি” এই প্রবাদটি শুনে আসছি প্রাচীন আমল থেকেই। এই সব অমিল মাছগুলির যেটুকু মিলছে তার দাম অনেক বেশি। মূলত গ্রামীণ এলাকায় দেশি এই সব মাছগুলির আকালের কারণ হল-লাগামছাড়া মাছ ধরা ও বিক্রি। মাছ ধরার ক্ষেত্রে ছোট-বড় দেখা হয় না। আয়ের লক্ষ্যে ছোট মাছেদেরও ধরা হয়।
এক্ষেত্রে মাছের বংশবিস্তারের বিষয়টিও ভেবে দেখা হয় না। পাশাপাশি দেশি মাছের বিলুপ্তির অন্য একটি কারণ হচ্ছে,ব্যাপকহারে বাণিজ্যিক মাছের চাষ।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের এ বিষয়ে বক্তব্য, দেশীয় মাছ বাঁচানোর জন্য প্রথমেই মাছ ধরার সরঞ্জাম বদলাতে হবে। বন্ধ করা দরকার মশারী জালের ব্যবহার। প্রজননকালে মাছ ধরা বন্ধ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সচেতন না হলে পুকুর-নদী-খাল-বিল ও জলাশয় থেকে দেশি মাছের আরও বিলুপ্তি ঘটবে এমনই ইঙ্গিত। (ছবি: সংগৃহীত)

