উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পায় অলকানন্দা নদীর মাছেরা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ের আভাস কি পূর্বেই পেয়েছিল অলকানন্দা নদীর মাছেরা। বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় মানুষের বিবরণ অনুযায়ী জানা গিয়েছে,রবিবার অলকানন্দা নদীর অসংখ্য মাছ একঝাঁকে ভেসে উঠে। লাসু গ্রামের বাসিন্দারা নদীর ধারে জড়ো হন।এমনকি নদী থেকে মাছও ধরা শুরু করেন। সূত্রের খবর,উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় হড়পা বানে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে ৪ দিন। এখনওপর্যন্ত উদ্ধারকার্য চলছে। হিমবাহ ফাটার কয়েক ঘণ্টা পূর্বেই এই বিপর্যয়ের আগাম পূর্বাভাস পেয়েছিল অলকানন্দা নদীর মাছেরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখেছেন,এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নদীর মাছগুলি অদ্ভুত আচরণ শুরু করছিল।
তাঁদের বক্তব্য,অদ্ভুত বিষয় হল- মাছ ধরার জন্য জাল ব্যবহার করতে হয়নি গ্রামবাসীদের। মাছগুলি নিজে থেকেই ভেসে উঠে। এরপর এত ভয়াবহ বিপর্যয় উত্তরাখণ্ডের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে, তা আন্দাজ করতে পারা যায়নি। তবে মাছগুলির এমন আচরণ দেখে মনে করা হচ্ছে, মাছেরা আগেই আন্দাজ করেছিল এই বিপর্যয়।
অলকানন্দা নদী ছাড়াও ধৌলিগঙ্গা এলাকায় নন্দপ্রয়াগ, লাংসু, কর্ণপ্রয়াগেও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন সেখানকার মানুষ। এই এলাকার মাছ ও জলজ প্রাণী ভেসে উঠে। ওই এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নদীর মাঝের স্রোত বরাবর সাধারণত মাছগুলি থাকে । বিপর্যয়ের আগে একদম নদীর ধারে মাছেরা দল বেঁধে চলে আসে। মাছেদের এমন আচরণ খুবই বিরল ও অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে বাসিন্দাদের। পাশাপাশি জলের রংও বদলে গিয়েছিল। স্বচ্ছ জলের রং ধূসরও হয়ে গিয়েছিল বলে তাঁরা মনে করছেন।

