স্যারের সরস্বতী ঘিরে সব ধর্মের মিলন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সবার স্পর্শে জীবন্ত দীনেশ স্যারের সরস্বতী। ৫৪ বছর ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পুজো হচ্ছে স্যারের বাড়িতে। করোনা আবহের মধ্যেও এই নিয়ম বন্ধ হয়নি। সরস্বতী পুজোর বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই রাসপূর্ণিমার শুভ দিনে সরস্বতী প্রতিমা গড়ার কাজ শুরু হয়। সেন্ট পলস কলেজের বাংলার অবসরপ্রাপ্ত মাস্টারমশাই দীনেশকুমার খানের এই প্রয়াস। ৭৫ বছর বয়সেও তাঁর প্রচেষ্টার খামতি নেই। কাঠামোয় খড় বাঁধা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ তিনিই করেন। দেওঘর-মধুপুর থেকে আসা রাজমিস্ত্রিদেরও প্রতিমা গড়ার কাজেও সহযোগিতা চেয়েছেন। এক্ষেত্রে জাত-পাতের প্রশ্ন সামনে আসে। এসব নিয়ে লজ্জায়-গ্লানিতে ভরাক্রান্ত হন মাস্টারমশাই।
দীনেশ বাবু জানিয়েছেন, কৈশোর শেষে বাড়ির সরস্বতী পুজোয় প্রতিমা গড়ার খেয়ালটা শুরু হয়েছিল তুতো ভাই-বোনদের আবদারে। পরে শিক্ষকতা শুরু করার পরে তাতে যোগ হয়েছে অন্য অভিজ্ঞান। হাওড়ার বৃন্দাবন মল্লিক লেনে অকৃতদার ‘ দীনেশ স্যারের বাড়ির সরস্বতী পুজো এখন সব ধর্মের মিলন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এ বছর সরস্বতী পুজো একটু ভিন্ন আবহে হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবার ও পাড়ার লোক মিলিয়ে খিচুড়ি-ভোগ এবং অঞ্জলির আনন্দে সরগরম থাকে পুজোর পরিবেশ।

