বিহার সীমান্তে চিনের দেখানো পথেই হাঁটছে নেপাল
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : চিনের দেখানো পথেই হাঁটছে নেপাল। সূত্রের খবর, বিহার সীমান্তে নদীবাঁধের কাজে বাধা দিয়েছে নেপাল। একেবারে চিনের পথই অনুসরণ করছে নেপাল, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, লাদাখে ভারতের সড়ক ও পরিকাঠামো নির্মাণে আপত্তি তুলে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে চিন। তার জেরেই সীমান্ত সংঘাত। এবার সেই পথ ধরেই বিহার সীমান্তে ভারতের বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতে আপত্তি করেছে নেপালও। এই পরিস্থিতিতে নেপালের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুঁজছে নয়াদিল্লি।
সূত্রের আরও খবর, বন্যা নিয়ন্ত্রণে নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকায় নদীবাঁধ নির্মাণে তৎপরতা শুরু করেছে বিহার সরকার। হঠাৎ করেই বাঁধ সংলগ্ন নির্মাণকাজ বন্ধ করিয়ে দিয়েছে নেপাল। একাধিক জায়গাতেই নেপাল গা-জোয়ারি মনোভাব দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই আবহে ক্রমশ তপ্ত হচ্ছে ভারত ও নেপালের কূটনৈতিক সম্পর্ক। বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করতে বিদেশ মন্ত্রককে লিখিতভাবে জানিয়েছে বিহার সরকার। এ বিষয়ে আরও জানা গিয়েছে, বাল্মীকিনগরে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বয়ে চলা গণ্ডক নদীর বাঁধে ৩৬টি গেট রয়েছে। যার মধ্যে ১৮টি গেট নেপালের অংশে। প্রতিটি অংশ নেপাল সম্পূর্ণ ব্লক করে দিয়েছে বলেও খবর।
আবার বিহারকে না জানিয়েই দেড় লক্ষ কিউসেক জল ছেড়ে দিয়েছে নেপাল, এমনও অভিযোগ। পাশাপাশি পূর্ব চম্পারণ জেলার লালবাঁকিয়া নদীবাঁধ মেরামত করতে গিয়েও প্রবল বাধার মুখোমুখি হল ভারতীয় কর্মী ও ইঞ্জিনিয়ার। সূত্রের আরও খবর, নেপালের সীমান্তরক্ষী বাহিনী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ওই কাজ বন্ধ করে দিতে হবে। উল্লেখ করা যায়, মধুবনীর জয়নগরে রয়েছে কমলা নদী। ওই নদী সংলগ্ন রাস্তা ও বাঁধ এতদিন ব্যবহার করে এসেছে নেপাল ও বিহার। প্রতি বছর বর্ষার সময় বন্যার আশঙ্কায় এই সব এলাকায় বাঁধ মেরামত ও তীরবর্তী এলাকার উন্নয়ন-সহ নতুন বাঁধ নির্মাণের কাজ হয়ে থাকে। ভারতই এই কাজ মূলত করে থাকে। নেপাল এই কাজে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। এবার চিনের মতোই আগ্রাসী মনোভাব পোষণ করছে নেপাল।

