আবহাওয়ার পরিবর্তন শুক্র গ্রহে : নতুন তথ্য গবেষণায়
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে শুক্র গ্রহতেও। শুকিয়ে গিয়েছে জল। নতুন তথ্য সামনে এসেছে গবেষণায়।
গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রে বহু বছর আগে। কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে এর সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়।
বিশ্বে এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হল জলবায়ুর পরিবর্তন । বিশ্ব উষ্ণায়ণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এই পৃথিবী। এই অবস্থায় বহু বছর আগে আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ শুক্র একই পরিস্থিতির শিকার বলে মনে করছেন গবেষকরা। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য,ব্যাপক জলবায়ু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল শুক্র । ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ওই গ্রহের জলবায়ুর বৈচিত্র্য। শুকিয়ে গিয়েছে জলাশয়গুলি। এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে একটি গবেষণায়।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা আরও দাবি করেছেন, অতীতে পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রের। আবার কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সব কিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে ধারণা। এর জলাশয়গুলি হয় শুকিয়ে গিয়েছে নতুবা বাষ্পীভূত হয়ে ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে।
উল্লেখ্য,নেচার জার্নাল-এ প্রকাশিত হয়েছে রিচার্ড আর্নস্টের এই গবেষণাপত্রটি । গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা বিষয়টি সুনিশ্চিত করার জন্য শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতলের নুড়ি-পাথর নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।পাশাপাশি নাসা-র মহাকাশ অভিযান থেকেও নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা যায়। ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট শুক্রে মহাকাশযান পাঠায় নাসা । এক্ষেত্রে শুক্রে ঘটে চলা নানা অগ্ন্যুৎপাত ও সেই সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানা যায়। আর এই সমস্ত কিছুই যেন একটি ইঙ্গিত বহন করছে । আবার ইঙ্গিত দিচ্ছে বহু বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি পরিবর্তনের দিকে।
প্রসঙ্গত, শুক্রে যে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে,পৃথিবীর মতো একটি জলবায়ু রয়েছে , তা নিয়ে পূর্বেও গবেষণা হয়েছে। উল্লেখ করা যায়,২০১৬ সালে নাসার একটি প্রতিবেদনেও বিষয়টি নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে। শুক্র গ্রহের মধ্যে জলের অস্তিত্বও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।

