অব্যর্থ দাওয়াই-সমালোচনা
কথায় কথায় সমালোচনা শুরু হয়। আর তা সহ্যও করতে হয়। সমাজের সব ক্ষেত্রেই সমালোচনার বহর থাকে। অনেকে তা সহ্য করেন, আবার অনেকে করেন না। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে, সমালোচনা হজম করতে শিখতে হবে। সমালোচনা সব সময় নেতিবাচক হয় না। মনে রাখতে হবে,আত্মশুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে এক অব্যর্থ দাওয়াই হল- সমালোচনা। কিছু পরিচিত মানুষ সমালোচনা করে সুযোগ গ্রহণ করে থাকেন। এতে ওই ব্যক্তির সাময়িক লাভ হয়। এর সদ্ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি হয়তো সাময়িকভাবে লাভবান হতে পারবেন। তবে অবশ্যই সুস্থ সমালোচনা কাম্য। সবাই যে সেটা করে এমন নয়।
সমালোচকদের একটা ভূমিকা থাকেই। গঠনমূলক সমালোচনা যাঁরা করে থাকেন,তাঁদের কাছে শিক্ষণীয় বিষয়গুলি থাকে। জীবনের জন্য অনেক কিছু শিখতে পারবেন। সমালোচিত হওয়া সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশেষ লাভ না হলেও ক্ষতি তেমন হয় না। শিক্ষিত বিচক্ষণ মানুষরা বলে থাকেন, সমালোচিত হওয়ার জন্যও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। সমালোচকদের গুরুত্ব দেওয়ারও দরকার রয়েছে। আপনার পদক্ষেপটা অন্যের থেকে আলাদা হলে আপনি সমালোচিত হতেই পারেন। আপনি কোনও কাজ করে দেখাতে সক্ষম হলে সমালোচনার বিষয়বস্তু হতেই পারেন। তবে এই সমালোচনাকে স্বাগত জানাতে চেষ্টা করবেন। তবে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতেও চেষ্টা করবেন। আত্মবিশ্বাস ও আত্মনির্ভরতা থাকা জরুরী। তবে অন্যের যোগ্যতাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন না। অন্যের উপর বিশ্বাস রাখতে চেষ্টা করবেন, তবে সেটা অন্ধভাবে করবেন না। নিজের ব্যক্তিস্বত্তাকে উপেক্ষা করে তা যেন না হয়। মেরুদণ্ড সোজা করে বাঁচতে চেষ্টা করবেন।

