drinking water crisis in arsenic prone areasOthers 

আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট দূর করতে উদ্যোগী রাজ্য

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ রাজ্য সরকার উত্তর চব্বিশ পরগনার আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট দূর করতে সচেষ্ট হল। এইসব এলাকায় নতুন জলপ্রকল্প গড়ে তোলা হবে। এরজন্য খরচ হবে আনুমানিক ১৬৩৭ কোটি টাকা। দেগঙ্গা, বসিরহাটের পাঁচটি ব্লকের পঁচিশ লক্ষ মানুষ এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের জন্য জমি দেখা হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া বিকল্প জমিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই উদ্যোগ রূপায়িত হলে বসিরহাটের দীর্ঘদিনের জলসঙ্কট মিটবে বলে আশা করা যায়।

সূত্রের খবর, বারসাত মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের জলসঙ্কট দূর করার জন্য প্রশাসনের এই উদ্যোগ। আর্সেনিক প্রবণ এলাকার মানুষ বাধ্য হয়েই নলকূপের জল পান করে। গরমে জলসঙ্কট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। এই জলসঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকা পানীয় জল বিক্রির ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। এই জলের বিশুদ্ধতা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও একমাত্র নিরুপায় হয়েই এলাকার মানুষজন কিনতে বাধ্য হচ্ছে। এই এলাকার বাসিন্দাদের প্রশাসনের কাছে দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল নলবাহিত জলের সরবরাহের জন্য।

সম্প্রতি গঙ্গার জল সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আর্সেনিক বিভাগ এই কাজের বাস্তবায়নে নিযুক্ত রয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, নোয়াপাড়ার গারুলিয়া থেকে গঙ্গার জল শ্যামনগর এলাকায় জল সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হবে। এই জল পরিশুদ্ধকরণের জন্য ১২ একর জমির প্রয়োজন হবে বলে জানা যায়। হাবড়া ও দেগঙ্গা এলাকায় জমির নিচে রিজার্ভার তৈরি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্রানুসারে এই প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প রূপায়িত হলে এলাকার ২৫ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবে বলে জানা যায়।

Related posts

Leave a Comment