nandigram and all candidateOthers Politics 

নন্দীগ্রামে শেষ লগ্নে সরব মমতা-শুভেন্দুর রোড শো -সামিল মীনাক্ষীও

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের সভায় সরব হলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা টাকা বিলোচ্ছে বলেও অভিযোগ করলেন তিনি। নন্দীগ্রামে নির্বাচনী প্রচারে গ্রামে গ্রামে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগও করলেন। তাঁর আরও বিষ্ফোরক অভিযোগ,বিজেপি কর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি ব্যবহার করে ভোটারদের টাকা বিলি করছে।

দ্বিতীয় দফার এই নির্বাচনে তৃণমূল ও বিজেপি পাখির চোখ করেছে “নন্দীগ্রাম”কে ‘। পিছিয়ে নেই সিপিএম-সংযুক্ত মোর্চাও। ১ এপ্রিল পূর্ব মেদিনীপুরের “হাই-ভোল্টেজ” কেন্দ্র নন্দীগ্রামের নির্বাচন। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার আরও ২৯ কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে । আজই ছিল নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের শেষ প্রচার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙাবেরা শহীদ বেদী থেকে সোনাচূড়া বাজার পর্যন্ত রোড শো করলেন। আবার নন্দীগ্রামের তিনটি জায়গায় তিনটি সভাও করলেন। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকে সোনাচূড়া, ভেকুটিয়ার বাঁশুলি চক লক গেট ও ভেকুটিয়ার টেঙ্গুয়া মোড় ক্রসিংয়ে এই সভা হয়।

নন্দীগ্রামের ভেটুরিয়া থেকে রেয়াপাড়া পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীকে সঙ্গে নিয়ে রোড শো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৷ রাস্তার দু’ পাশে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখে আশ্বস্ত হয়েছেন অমিত শাহ ৷ কড়া নিরাপত্তা বলয় উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন্দীগ্রামের আম-জনতাকে ভোট দিতে আবেদন জানালেন। বাম-সংযুক্ত মোর্চার প্রাথী মীনাক্ষী মুখার্জীও নন্দীগ্রামে শেষ লগ্নের প্রচারে সামিল ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রের খবর, রোড শো’য়ের পরে সোনাচূড়া বাজারের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, “আমার কাছে খবর আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলি থেকে টাকা বিলি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে লোক এনে গ্রামে গ্রামে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।” এ বিষয়ে তৃণমূল নেত্রী আরও জানিয়েছেন, “শুধু রাজ্য নয়, অন্য রাজ্যের বিজেপি নেতারা রাজ্যে এসে কলকাতার হোটেল থেকে টাকা বিলি করছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, আপনারাই উচিৎ জবাব দিন বিজেপিকে।” পাশাপাশি তৃণমুল সুপ্রিমো আরও অভিযোগ করে জানিয়েছেন, “পুলিশ এবং আধা সেনারা নিজেদের কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করছে না। বিহার ও উত্তরপ্রদেশ থেকে বহু সংখ্যায় গুন্ডা রাজ্যে প্রবেশ করে নির্বাচন পূর্বে অশান্তি পাকাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একেবারে চুপ তা নিয়ে, যা খুবই দুঃখজনক।”

সভা থেকে রীতিমতো হুঙ্কারের সুরে তাঁর আরও মন্তব্য,”ভোটারদের প্রভাবিত করতে বিজেপি যে টাকা দিচ্ছে,সব টাকা নোটবন্দীর সময়ের। টাকা আসছে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে। এ সব সাধারণ মানুষের টাকা। সব কিছুই মানুষের কাছে স্পষ্ট। সবাই সব জানে। আগামী ২ মে বাংলার মানুষই ওদের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দেবে। ” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এক সময়ের দুই সহযোদ্ধার লড়াই এবার একেবারে ব্যক্তিগত স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। যার জেরে এক সময়ের গোপনে থাকা কথা প্রকাশ্যে চলে আসছে।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

Related posts

Leave a Comment