French Bean TreeOthers 

ফ্রেঞ্চ বিনের চাহিদা থাকায় স্ব-নির্ভর হচ্ছেন কৃষক

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় ফ্রেঞ্চ বিন চাষ করে স্ব-নির্ভর হচ্ছেন বহু যুবক। এই চাষে উৎসাহও বেড়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বেকার যুবকরা ফ্রেঞ্চ বিন চাষ করে ভাল উপার্জনও করছেন। নাকাশিপাড়ায় এক বছর আগে প্রথম এই চাষ শুরু করেছিলেন কয়েকজন যুবক। ফলন ভাল হওয়াতে লাভও হয়েছিল। এবছরও তাঁরা বিন চাষ করবেন, এমনটাই জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, ফ্রেঞ্চ বিনের চাহিদা রয়েছে দেশ ছাড়াও বিদেশের বাজারেও।

উল্লেখ্য, ফ্রায়েড রাইস-সহ বিভিন্নরকম পদের রান্নায় এর চাহিদা রয়েছে। বিনের খোঁজ চলে সারা বছরই। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকে এই সব্জির। চাহিদা ও দাম ভাল থাকায় এই চাষের দিকে উৎসাহ বেড়েছে স্থানীয় কৃষকদেরও। সরকারিভাবে জানা গিয়েছে, আতমা প্রকল্পের মাধ্যমে নদিয়ার নাকাশিপাড়া ব্লক থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই চাষ শুরু হয়। ফ্রেঞ্চ বিনের বীজ, জৈবসার ও বীজশোধক দেওয়া হয়েছিল কৃষকদের।

এক্ষেত্রে আরও জানা গিয়েছে, বীজবপন থেকে সার প্রয়োগ সব কিছু উন্নত পদ্ধতিতে করা হয়েছিল। আতমার কর্মীরা বিশেষ সহযোগিতা করেন। হাতে-কলমে কাজ শিখিয়েছিলেন কৃষকদের। উল্লেখ্য, কাঁচা ফ্রেঞ্চ বিন মূলত সব্জি হিসেবে খাওয়া যায়। আবার পুষ্ট বীজ রাজমা নামে পরিচিত। স্থানীয় কৃষকরা দুই উদ্দেশ্য নিয়েই চাষ করছেন। স্থানীয় কৃষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাক রবি ফসল হিসেবে এর চাষ করা হয়। সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে এই চাষ শুরু হয়। এক্ষেত্রে এনপিকে, জৈবসার ও কেঁচোসার জমিতে দেওয়া হয়। গাছে ফুল আসার আগেই কাঠি দিয়ে গাছ সোজা রাখার ব্যবস্থা করা হয়। নাকাশিপাড়ার ব্লক কৃষি দপ্তর সূত্রের খবর, এই গাছ লাগানোর ৪৫ দিনের মধ্যে ফলন শুরু হয়ে যায়। এক বিঘা জমি থেকে ১৫০০ কেজির মতো কাঁচা বিন পাওয়া যায়। সঠিক সময়ে ফসল হলে এক্ষেত্রে কৃষকরা লাভের মুখ দেখেন। ফ্রেঞ্চ বিনের চাহিদা সবসময়ই রয়েছে।

Related posts

Leave a Comment