করোনা ভ্যাকসিন তৈরিতে বিভিন্ন দেশের অবস্থান
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভ্যাকসিন অনুসন্ধানে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ উঠেপড়ে লেগেছে। কোন দেশ কি পর্যায়ে পৌঁছেছে এখনো পর্যন্ত তা জানতে অনেকেরই আগ্রহ। ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি তাদের ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রজেনেকার দাবি, তাঁরা পরীক্ষার সবকটা পর্যায় সফলভাবে শেষ করেছে। এখনো পর্যন্ত যা জানা যায়, চিনের ক্যানসিনো বায়োলজিক্যাল ইনকর্পোরেশন ও বেজিং ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেক তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা সফল করার পর এই ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাছাড়া উহান ইনস্টিটিউট ও সিনোফর্ম তাদের পরীক্ষা ২য় পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা যায়। আর চিনের সিনোভ্যাক মানব দেহের ট্রায়ালের ৩য় পর্যায়ে রয়েছে।
এছাড়া রাশিয়ার সেচনেভ ইউনিভার্সিটি ঘোষণা করেছে, পরের মাসের শেষের দিকে না হলেও সেপ্টেম্বরে তাদের ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে। যদিও সূত্র মারফত জানা যায়, তাদের মানব দেহে পরীক্ষার ২য় পর্যায় শেষ হয়েছে। আমেরিকার একটি সংস্থা নোভাভ্যাক্স তারা ২য় পর্যায়ের মানব দেহের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। ওই দেশেরই আরেকটি সংস্থা মর্ডানা একটু এগিয়ে। তাঁরা ৩য় পর্যায়ের ট্রায়াল সম্পন্ন করতে পেরেছে। জার্মানির তিনটি সংস্থা বায়োএনটেক, ফাইজার ও ফোজান ফার্মা তারা মানবদেহের পরীক্ষার ২য় পর্যায়ে রয়েছে। এখন অবধি যা দেখা যাচ্ছে, ভারতের দুটি সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলা ও ভারত বায়োটেক তাদের ট্রায়ালের ১ম পর্যায় শেষ করতে পেরেছে।

