উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দর আধুনিকীকরণের কাজ শীঘ্রই
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বিমানবন্দর সূত্রের খবর, জমি পাওয়ার ২ বছরের মধ্যে নতুন বিমানবন্দরের পরিকাঠামো তৈরি করা হবে। উত্তরবঙ্গের মানুষদের জন্যে রীতিমতো খুশির খবর। এবিষয়ে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে জমিও। ওই জমিতেই বাগডোগরা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে।
কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক সূত্রের খবর, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য বহুদিন ধরে এই জমির দরকার ছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের হাতে ওই জমি তুলে দিয়েছেন। বিমান বন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, সকল পরিস্থিতি ঠিক থাকলে এই করোনার আবহের মধ্যেই বাগডোগরা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। অন্যদিকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভায় বাগডোগরা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য ১০৪ একর জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিলমোহর দেয় রাজ্য সরকার।
প্রসঙ্গত, রাজ্য জমি দেওয়ায় শুরু হয়ে যাবে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাগডোগরার এই বিমানবন্দরের কাজ। জানা গিয়েছে,নতুন পরিকাঠামো তৈরির পর বিমানবন্দরের নামকরণ করা হবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। আরও কয়েকটি নামের প্রস্তাব এসেছে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের কাছে,এমনও জানা গিয়েছে। প্রশাসনিকভাবে আরও জানা যায়, বাগডোগরা উত্তরবঙ্গের একটি সচল বাণিজ্যিক বিমানবন্দর।
দেশের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের তালিকায় ১৭ নম্বরে বাগডোগরার স্থান। ২০১৪-১৫ সালে বাগডোগরা বছরে ১০ লক্ষ যাত্রীর রেকর্ড সংখ্যা অতিক্রম করেছে। এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “বাগডোগরা বিমানবন্দর আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণ হলে শুধু শিলিগুড়ি নয়, সুবিধা হবে সিকিম এবং ভুটানের।”
উল্লেখ্য, বাগডোগরার এই সামরিক বিমানবন্দরটি এটিসি বায়ুসেনাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এরপর যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকায় বছরে ২৫ লক্ষ যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। পর পর বিমানের সংখ্যা ও গন্তব্যও বাড়তে থাকে বাগডোগরা বিমানবন্দরে।

