করোনা আবহে ৬৪ শতাংশ মানুষ প্রকৃতিতেই শান্তির আশ্রয় খুঁজেছেন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: করোনা আবহে ৬৪ শতাংশ মানুষ কোনও কিছু না ভেবেই বেড়াতে গিয়েছেন। সমীক্ষায় এমনই তথ্য সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটে মে মাসে ঘোষিত ‘স্টে সেফ স্টে হোম’-এর অধীন ৩২০০ মানুষের উপরে একটি অনলাইন সমীক্ষা করে ভারমন্ট। এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, মহিলাদের মধ্যে এই সময় আউটডোর বা বাইরের প্রতি আকর্ষণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, করোনার প্রকোপে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরওনিবিড় হয়েছে। পুরুষ ও নারীরা প্রকৃতির মধ্যেই শান্তির আশ্রয় খুঁজে চলেছেন। উল্লেখ করা যায়,” পিএলওএস ওয়ান” নামক জার্নালে এই গবেষণা বের হয়। এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনা মহামারী মানুষকে প্রকৃতি ও জীবজন্তুর গুরুত্ব বুঝতে শিক্ষা দিয়েছে। এই সময়ে সবুজ গাছপালা মানুষকে অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, মহিলাদের মধ্যে এই সময় বাইরের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছে। ৭০ শতাংশ মানুষ এই সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন। আবার ৬৪ শতাংশ মানুষ শহুরে জীবন থেকে ছুটি নিয়ে জঙ্গলে হাঁটা বা জীবজন্তুকে পর্যবেক্ষণ করা বেশ উপভোগ করেছেন।
প্রসঙ্গত, লকডাউন পর্বে আচমকা গৃহবন্দি হয়ে পড়ায় মানসিক অস্থিরতা দেখা গিয়েছে একটা বড় অংশের মানুষের । এক্ষেত্রে সমীক্ষা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, ৫৯ শতাংশ মানুষ এইসময় অনুভব করেছেন , প্রকৃতির কাছাকাছি থাকলে মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক ভাল থাকা অনেকটাই বেড়ে যায়। আবার শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করেও ভাল থাকা যায় এমনটাই জানিয়েছেন ২৯ শতাংশ মানুষ। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের দৃঢ় বন্ধন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে মহিলারা অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন। বাগান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ও জঙ্গল বা প্রকৃতির মধ্যে থাকায় পুরুষদের থেকে মহিলারা ১.৭ গুণ এবং ২.৯ গুণ এগিয়ে রয়েছেন। এই গবেষণার সিনিয়র গবেষক র্যাচেল গোড জানিয়েছেন, এই বিষয়ে আরও অনেক গবেষণা করা এখনও বাকি রয়েছে। প্রাথমিক গবেষণা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে – মানসিক স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, এক্সারসাইজ ও ভূপ্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং আনন্দে থাকা নিয়ে পুরুষদের চেয়ে মহিলারা অনেক বেশি সচেতন।

