মনে-জ্ঞানে ও ধ্যানে শ্রীরামকৃষ্ণ
শ্রীরামকৃষ্ণ নামটি স্মরণে এলেই একটা ভক্তিভাব জেগে উঠে। আমরা রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি। দেবতার আসনে বসিয়ে পুজো করে থাকি। আমাদের মনে-জ্ঞানে ও ধ্যানে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। ধর্মে ধর্মে বিদ্বেষ নয়,মানুষের সেবাই পরম ধর্ম হতে পারে। দীপ্ত কণ্ঠে তিনি বলতে পেরেছেন “সবার ধর্মই তাঁর ধর্ম।” হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে তাঁর জন্ম হয়েছিল। গদাধর চট্টোপাধ্যায় পরবর্তী সময়ে হয়ে উঠেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। বিশ্বের ইতিহাসে এক অনন্য চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ।
তাঁর শীর্ষ হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,”শ্রীরামকৃষ্ণ অবতারবরিষ্ঠ।” তাঁর জীবনের শিক্ষা আমাদের পরম পাথেয়।শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ-“যত মত তত পথ। আপনার মতে নিষ্ঠা রাখিও,কিন্তু অপরের মতের দ্বেষ বা নিন্দা করিও না।”শ্রীরামকৃষ্ণ বাণী আমাদের অনুপ্রাণিত করে। জীবনে চলার পথে দিক-নির্দেশ করে। “বাণী রূপে রহিয়াছ মুরতি ধরি রামকৃষ্ণ তোমায় স্মরণ করি।” তিনি সকলের মধ্যে রয়েছেন,যে খোঁজে সে পায়।
উপদেশ হিসেবে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস বলেছেন,”তুমি জীবনে যে কাজই করো না কেন,নিজের মনকে সর্বদা ঈশ্বরের প্রতি সমর্পিত রেখো,তাহলে মনের মধ্যে শান্তি পাবে,সাহস পাবে।” পাশাপাশি তাঁর বাণী স্বরূপ আমরা জানি,”সত্যি কথা বলার সময় খুবই নম্র ও একাগ্র হওয়া উচিত কারণ সত্যের মাধ্যমে ভগবানকে অনুভব করা যেতে পারে।” সব শেষে বলি-শ্রীরামকৃষ্ণের বাণী জীবনে গ্রহণ করুন। অনুভব করুন। তাঁর আদর্শের পথ ধরে চলুন। জীবনে শান্তি-সুখ খুঁজে পাবেন। শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯০তম জন্মতিথিতে অন্তরের মধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণকে স্মরণ করুন। জয় শ্রীরামকৃষ্ণ।

