bhoot chaturdasi Others 

ভূত চতুর্দশী : অশুভের নাশ

ভূত চতুর্দশী। পণ্ডিত ও শাস্ত্রীয় বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে বলে থাকেন, মহালয়ার পিতৃপক্ষে এই ধরায় এসে থাকেন। ভূত চতুর্দশী তিথিতে পূর্বপুরুষেরা ফিরে চলে যান। পূর্বপুরুষদের শান্তি ও প্রীতি পর্বে বিশেষ আয়োজন হয়ে থাকে ভূত চতুর্দশী তিথিতে। এই বিশেষ দিনটিতে পরলোকগত চোদ্দ পুরুষদের উদ্দেশে ১৪ প্রদীপ জ্বালানো,১৪ শাক খাওয়া ও ১৪ ফোঁটা দিয়ে এই তিথি পালন করা হয়। অন্যদিকে পুরাণ মতে বলা হয়েছে, এই দিনটিতে মহাকালী জাগরিত হয়ে থাকেন। অশুভ শক্তির বিনাশে ভূত চতুর্দশী পালন করা হয়। আবার পৌরাণিক মতে বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণকার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে নরকাসুর বধ করেছিলেন। উত্তর ভারতে এই তিথিটি “নরক চতুর্দশী” হিসেবে পালিত হয়।

Read More
mahakali Others 

কালই সর্বেশ্বর : মহাকালের শক্তি মহাকালী

ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি-স্থিতি ও প্রলয়ের বিধান দিয়ে থাকেন মহাকাল। অন্যদিকে মহাকালের শক্তি বা রূপ হলেন মহাকালী। শিব হলেন মহাকাল। সাধকেরা বলে থাকেন,জগতের সৃষ্টি হয়ে থাকে কাল থেকে। কালের মধ্যে নিহিত থাকে সূর্য। সেখান থেকেই তাপ উৎপন্ন। সমস্ত জীবের মধ্যে কালচক্ষু। যা দিয়েই অতীত-বর্তমান সব দেখতে থাকি। এই কালের মধ্যেই আটক মানুষের মন। কালের মধ্যেই সমাহিত মানবজাতি। কালেই তপস্যা ও ব্রহ্ম সমাহিত। কালই সর্বেশ্বর। প্রজাতির পিতা তিনিই। প্রজাপতি যেমন কালকে প্রেরণ করেছেন তেমনই কাল ব্রহ্ম হয়ে সকল জীবের ভরণ-পোষণ করে চলেছেন। সৃষ্টি পালনকারী দেবতা হলেন কাল। পুরাণ ঋষিরা ও তান্ত্রিক সাধক-সন্তরা মহাকাল বলে চিহ্নিত করলেন। কালকে গ্রাস করে বলেই তিনি হয়ে উঠলেন কালী।

Read More