কালই সর্বেশ্বর : মহাকালের শক্তি মহাকালী

mahakali

আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি:ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি-স্থিতি ও প্রলয়ের বিধান দিয়ে থাকেন মহাকাল। অন্যদিকে মহাকালের শক্তি বা রূপ হলেন মহাকালী। শিব হলেন মহাকাল। সাধকেরা বলে থাকেন,জগতের সৃষ্টি হয়ে থাকে কাল থেকে। কালের মধ্যে নিহিত থাকে সূর্য। সেখান থেকেই তাপ উৎপন্ন। সমস্ত জীবের মধ্যে কালচক্ষু। যা দিয়েই অতীত-বর্তমান সব দেখতে থাকি। এই কালের মধ্যেই আটক মানুষের মন। কালের মধ্যেই সমাহিত মানবজাতি। কালেই তপস্যা ও ব্রহ্ম সমাহিত। কালই সর্বেশ্বর। প্রজাতির পিতা তিনিই। প্রজাপতি যেমন কালকে প্রেরণ করেছেন তেমনই কাল ব্রহ্ম হয়ে সকল জীবের ভরণ-পোষণ করে চলেছেন। সৃষ্টি পালনকারী দেবতা হলেন কাল। পুরাণ ঋষিরা ও তান্ত্রিক সাধক-সন্তরা মহাকাল বলে চিহ্নিত করলেন। কালকে গ্রাস করে বলেই তিনি হয়ে উঠলেন কালী। দেবী কখনও আদ্যাকালিকা। আদিরূপিণী দেবী। কতো রূপে দেখিলাম তারে। সৃষ্টির সময় তুমি। ধ্বংসের সময় তুমি সব কিছু গ্রাস করো বলেই তুমি আদ্যাকালী। “ন বিদ্যা মাতৃকারা”অর্থাৎ মাতৃকাই শ্রেষ্ঠ বিদ্যা। যে বর্ণমালার মধ্যে আমাদের বিদ্যা প্রকাশ পেয়ে থাকে,মা সেই বিদ্যার মধ্যেও বিরাজমান। মা তাই বর্ণময়ী। মা ব্রহ্মময়ীও। (ছবি:সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *