জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গি
“মানুষ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যতটা প্রশংসা করে, প্রয়োজন শেষ হলে তার থেকেও বেশি অনাদর করতে থাকে।” আবার জীবনে চলার পথে বেশ কিছু জরুরি বিষয় মাথায় রাখবেন। তা হলো- নিজের ক্লাস চিনতে পারার সক্ষমতা। একটা পরিবারের শিক্ষা, মূল্যবোধ ও রুচি ঠিক কেমন তা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি চিন্তার গভীরতা, মানুষের প্রতি সম্মান, আত্মমর্যাদা ও জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে। অসুস্থ একজন গরীব মানুষের সেবা করে সেই মানুষটির পাশে দাঁড়াতে পারেন। এগুলো আপনার মানবিকতা। তবে মানবিকতা দেখানোর মানে – আপনার ব্যক্তিগত জীবনের দরজাটাও সবার জন্য খুলে দেওয়া নয়। দান করার অধিকার আপনার রয়েছে, তবে ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশের অধিকার সবার দেওয়া ঠিক নয়। মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মেলামেশা আপনার স্বভাব। এক্ষেত্রে নিজের সীমারেখা মুছে ফেলা উচিত নয়। এটা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। সবাই উদারতাকে উদারতা দিয়ে ফিরিয়ে দেয় না। আপনার ভালো দেখে সবাই খুশি হবে না। আপনি সবার ভালো চান বলে সবাই যে আপনার ভালো চাইবে, এমন ভাবনা নিয়ে চলবেন না।
