দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ -কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:২০২০সালে করোনা আবহে লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। ওই সময় কাজ হারিয়েছিলেন অগণিত মানুষ। দেশের আর্থিক অবস্থাও বিপর্যস্ত হয়। আবারও করোনার প্রভাব বাড়ছে সমগ্র দেশে। রাজ্যেও এর তীব্রতা বেড়েছে। এই অবস্থায় কয়েকটি রাজ্য সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করতে লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে। সাধারণ মানুষের উদ্বেগও বেড়েছে। দেশজুড়ে লকডাউন হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মনেও। তবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এ বিষয়ে জানিয়েছেন, সরকারের দেশজুড়ে লকডাউনের কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে ছোট ছোট কনটেনমেন্ট জোন করে লকডাউনের সম্ভাবনাও রয়েছে। উল্লেখ করা যায়,গত একপক্ষ কালের মধ্যে সংক্রমণের হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই আবহে দেশব্যাপী লকডাউনের সম্ভাবনা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেলেও উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে সাধারণ মানুষের।
অন্যদিকে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান মাইক্রো অ্যান্ড স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সবরকম পরিস্থিতির জন্য তাঁদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। দেশজুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্ত দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফের প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিটি রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে লাগাতার সংযোগ রক্ষা করে চলেছেন বলে খবর। পাশাপাশি প্রতিটি রাজ্যে করোনা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্যকে সবরকম সহযোগিতা করার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহ, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের জোগানে সহায়তা করা হবে বলে জানা যায়।
নির্মলা সীতারমন এ বিষয়ে জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। আবার টেস্ট, ট্র্যাকিং ও টিকাকরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগের ভাইস-চেয়ারম্যান রাজীব কুমার এ প্রসঙ্গে জানান, আরও একবার দেশের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আর্থিক প্যাকেজ প্রদানের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য,২০২০ সালে ২০.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। করোনার বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে সবে উন্নতির পথ ধরেছে ভারতীয় অর্থনীতি। এরপর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। আরও একবার ভারতীয় অর্থনীতি বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
মতামত সহ লাইক ও শেয়ার করবেন।

