পরিবেশ রক্ষায় চাই প্রকৃতির স্বাভাবিকত্ব ফিরিয়ে আনা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : পরিবেশ রক্ষায় নজর। নগরের বিনিময়ে অরণ্য ফেরানোর আর্তি ছিল। কবিতার ছন্দেও সেই ইঙ্গিত ছিল। অরণ্য ফিরিয়ে দিয়ে নগর নেওয়ার আবেদন রয়েছে। এবার বিশ্ব পরিবেশ দিবসের স্লোগানেও সেই বার্তা। উল্লেখ করা যায়, ২০২১ সালের পরিবেশ দিবসে বিশ্বজনীন বার্তা হিসেবে তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘রিইম্যাজিন, রিক্রিয়েট ও রিস্টোর’। এক্ষেত্রে স্পষ্ট ভাষায় বোঝানো হয়েছে, প্রকৃতির স্বাভাবিকত্ব ফিরিয়ে এনেই সমাজ-সভ্যতার স্থায়ী অগ্রগতি সম্ভব।
প্রকৃতির স্বাভাবিকত্ব ফেরানোর বার্তা। সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’-বিপর্যস্ত বাংলায় আরও বেশি করে উপলব্ধি হচ্ছে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশকর্মী-সহ সাধারণ মানুষেরও। এক্ষেত্রে সহজ বক্তব্য, ‘বাঁচতে হলে পরিবেশকে বাঁচাতেই হবে’। এই উপলব্ধি না হলে পরিবেশ ও জীবকূলকে বাঁচানো সম্ভব নয়। প্রকৃতির ধ্বংসলীলার আবহে পরিবেশ বাঁচাতে সমবেত প্রয়াস প্রয়োজন রয়েছে।
‘যশ’ তাণ্ডবে ও ঘূর্ণিঝড়ের জেরে প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবন ছাড়াও দিঘা, মন্দারমণি ও তাজপুর-সহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলি বিধ্বস্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্রকৃতিকে নষ্ট করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রচেষ্টা থাকলে তার মূল্য দিতেই হবে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নদী দূষিত হয়ে পড়ছে। বনাঞ্চল ফাঁকা হতে শুরু হওয়ায় বন্যপ্রাণীরাও বিপদের মুখে। সার্বিকভাবে জলবায়ুর পরিবর্তনের ইঙ্গিতও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতন হতেই হবে।

