জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরেশ জীবনযুদ্ধের লড়াইয়ে
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : জীবনযুদ্ধে একা লড়ছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরেশচন্দ্র লোধ। তিনি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত যোগা শিক্ষক। সূত্রের খবর, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন স্কুলে তিনি শিখিয়েছিলেন যোগের মাহাত্ম্য। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর অসংখ্য ছাত্রও। যোগব্যায়ামের জগতে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব তিনি। পরেশচন্দ্র লোধ এখন নিজেই জীবনযুদ্ধে লড়াইয়ে। বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে আতঙ্কে গোটা বিশ্ব। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির হিন্দমোটরের হাসপাতালে মারণ রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন ৮০ বছর বয়সী পরেশবাবু। বাংলাদেশের কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ষাটের দশকে আন্দামানে গিয়েছিলেন। তাঁর যোগব্যায়ামে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন আন্দামান প্রশাসন তাঁকে সেখানকার সব স্কুলে যোগ শিক্ষার প্রসার ঘটাতে কাজে লাগিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে ভলিবল খেলাতেও তাঁর দক্ষতা ছিল। ১৯৮২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জ্ঞানী জৈল সিং জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত করেন তাঁকে। ৯০-এর দশকে গড়ে তোলেন শ্রীরামকৃষ্ণ যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আন্দামানের রাজ্যপালের অনুরোধে আবারও সেখানে যান তিনি।

