student and teachingEducation Others 

বিনয় শেখায় বিদ্যা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আজ শিক্ষক দিবস। সাধারণত আমরা বলে থাকি- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক নিবিড় হওয়া প্রয়োজন রয়েছে। আবার নীতি-আদর্শ ও বিনয় শেখায় বিদ্যা। প্রাচীন ভারতের শিক্ষা প্রারম্ভের সময় ছিল শ্রাবণ-ভাদ্র মাস। উপনিষদে গুরু-শিষ্যের সম্বন্ধ ও বিদ্যার্জনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ভারতীয় পরম্পরায় বিদ্যাদান ও বিদ্যা চর্চার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যা শিক্ষার পরিধি বিশাল ও ব্যাপক বলেও বিশেষজ্ঞদের মত। পণ্ডিত ও দার্শনিক মহলের বক্তব্য, যা মুক্তি দেয়,তাই বিদ্যা। অশিক্ষার অন্ধকার দূর করার জন্য বিদ্যার আশু প্রয়োজন রয়েছে।

শিক্ষক দিবসে পাঠশালা,পুঁথিপাঠ, গুরুকূল,বিদ্যালয় প্রভৃতি নামগুলি এমনিতেই চলে আসে। হাতে-কলমে শিক্ষার বিষয়টিও রয়েছে। হাতে-কলমে পাঠ দেওয়ার ব্যবস্থা শিক্ষার অঙ্গ। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস তৈরি হবে। বর্তমান সমাজে প্রকৃত শিক্ষার অভাব হচ্ছে, এই কথাটিও এখন আকছার শোনা যায়। নিম্নমানের শিক্ষা নিয়ে মতামতও কম-বেশি নজরে আসে। বিদ্যা চর্চার আসল অর্থ নিয়ে নানা মতও প্রতিফলিত। তবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন,”মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা,আর সমস্তই তার অধীন।” (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment