বিক্রি তলানিতে পৌঁছে যাওয়ায় মল্লিকঘাটের ফুল ব্যবসায়ীরা বিপন্ন

Mallickghat

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ধর্মীয় স্থান খুলে গেলেও বিক্রিবাটা তলানিতে। সঙ্কটে মল্লিকঘাটের ফুল ব্যবসায়ীরা। সূত্রের খবর, খুলে গিয়েছে অনেক ধর্মীয় পীঠস্থান। তবুও ফুলের চাহিদা নেই এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই ফুল বাজারে। চাহিদা না থাকায় ফুল-মালার দামও পড়ে গিয়েছে। প্রায় শেষ রাত থেকে ব্যবসার ঝাঁপ খুললেও লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে আম্ফান বিপর্যয়ের জেরে গাঁদা-গোলাপের দাম খানিকটা বাড়লেও রজনী, জবা, বেল, আকন্দ ফুল ও মালা সস্তা দামেই মিলছে।

আবার ট্রেন বন্ধ থাকায় শহর থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ফুল ও মালা পৌঁছতে পারছে না। জোগান ও চাহিদার মধ্যে ফারাক হচ্ছে বিস্তর। ফুল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ফুলের ব্যবসা বিপর্যয়ে। উল্লেখ্য, রজনীগন্ধার ফুল ও গাঁথা মালা জলের দামে পাওয়া যাচ্ছে। লকডাউনের পূর্বে ছোট রজনীমালার ২০ পিসের পাইকারি দাম ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এখন দাম কমে হয়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চলতি বছরে রজনীর ফলন খুব ভাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, করোনার আবহে গত ৩ মাস বিক্রি-বাটা সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। বর্তমানে সমস্ত মন্দির খুলে গেলেও চাহিদা বাড়েনি। ট্রেন বন্ধ থাকায় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ফুল-মালা বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ফুল পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দামের এই পতনের কারণ এটাই। অন্যদিকে কালী ও শিব পুজোয় ব্যবহার হয় জবা ও আকন্দ মালা। এই দুটি ফুলেরও খরিদ্দার নেই। জবা ফুলের মালার দাম প্রতি পিস ১০ থেকে ১২ টাকা থেকে কমে ৫ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। আবার মল্লিকঘাট বাজারে ২০ পিস আকন্দের মালা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকায়। লকডাউনের পূর্বে যার দাম ছিল ১০০ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *