Emitetion GoldOthers 

ইমিটেশন গয়না শিল্পে যুক্তরা নতুন করে বাঁচার প্রেরণা খুঁজছে

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ইমিটেশন গয়না শিল্পে যুক্ত হুগলির অনেক পরিবার নতুন করে বাঁচার প্রেরণা খুঁজছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, ইমিটেশন গয়না শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কিউবিক জারকনিয়া বা নকল হীরের মূল জোগানদার ছিল চিনই। এ দেশে তা পাওয়া গেলেও চিনের দাম সস্তা হওয়ায় হুগলির ইমিটেশন শিল্পীদের কাছে খুব শীঘ্রই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, ইমিটেশন গয়নার চাহিদা থাকায় সিঙ্গুর-সহ হুগলি জেলার প্রায় ২০ হাজার পরিবার এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। চিন ইমিটেশন গয়না প্রস্তুত করার পর থেকেই ওই সব পরিবার মহা সমস্যায় পড়ে।

প্রসঙ্গত, চিনের এই সব পণ্য সস্তায় পাওয়া যাওয়ায় স্থানীয়দের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাম্প্রতিক ভারত-চিন বিবাদে অনেকটাই আশাবাদী ধনিয়াখালি ও সিঙ্গুরের ইমিটেশন গয়নার কারিগররা। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, চিনের ইমিটেশন গয়নার উপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিক কেন্দ্রীয় সরকার। তাহলেই বেঁচে যাবে দেশীয় শিল্প ও শিল্পীরা। সিঙ্গুরের ইমিটেশন গয়না কারখানার সঙ্গে যুক্ত স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চিন প্রথমদিকে কাঁচামাল বিক্রি করছিল। এরপর গয়না বিক্রি শুরু করে। ওরা কম দামে সবকিছু দিচ্ছে। ফলে আমাদের শিল্পীদের তৈরি গয়না প্রতিযোগিতার বাজারে টিকতে পারছে না।

এক্ষেত্রে স্থানীয়দের আরও ব্ক্তব্য, মাত্র ১ বছরেই প্রায় ৪০ শতাংশ ব্যবসা কমে গিয়েছে। এই শিল্পের সঙ্গে সিঙ্গুর, ধনিয়াখালি, হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের কয়েক হাজার পরিবার যুক্ত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রুজি-রুটি নিয়ে সমস্যা প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার কারখানার কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগে দেশীয় বাজারের পাশাপাশি চিনেও আমাদের তৈরি ইমিটেশনের গয়না যেত। এরপর তারা ইমিটেশনের গয়না তৈরি করা শুরু করে। ফলে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। চিনারা আমাদের বাজার দখল করেছে। এমনকী দেশীয় বাজারও আমাদের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে।

Related posts

Leave a Comment