প্রশাসনিক পদক্ষেপে শিলিগুড়িতে কেটে গেল ছটপুজোর জটিলতা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:প্রশাসনিক পদক্ষেপে শিলিগুড়িতে শেষ পর্যন্ত কেটে গেল ছটপুজোর জটিলতা। সন্তোষপ্রকাশ করেছেন পুণ্যার্থীরা।
সূত্রের খবর, শিলিগুড়িতে সব মিলিয়ে ১৪৫টি ঘাটে ছটপুজোর আয়োজন চলবে। মহানন্দা নদীর লালমোহন মৌলিক ঘাট নিয়ে জট ছিল। সূত্রের আরও খবর,গ্রিন ট্রাইবুনাল বেঞ্চের নির্দেশে এখানে ২৫ মিটার অংশ ‘নো এন্ট্রি’ জোন ঘোষণা করে বোর্ড বসানো হয়েছিল। তার আগে মহানন্দা নদীর পার সংস্কারে রেলিং তৈরি হয়। এই দুই বিষয় নিয়ে ছট পুজা উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রশাসনের টানাপোড়েন চলে।
শিলিগুড়িতে ক্রমেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। মুখে কালো কাপড় বেঁধে নদীতে মৌন প্রতিবাদে সামিল হন পুজো উদ্যোক্তারা। সন্ধ্যে বেলায় মোমবাতি মিছিলও হয়। ‘নো এন্ট্রি’ জোন করা হলে অনেকেই পুজো দিতে পারতেন না বলে অভিযোগ । অনশনের ডাকও দেওয়া হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ঘাট পরিদর্শনে যান শিলিগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসকেরা। কথা হয় পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও। তারপরই জটিলতা কেটে যায়।
উদ্যোক্তাদের দাবী মানার পর নদীতে ‘নো এন্ট্রি’ জোন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে নদীতে সেতুর নীচে পিলার ঘেঁষে সামান্য অংশে পুজো করা যাবে না। বলা হয়েছে ওই অংশে নদীতে জলের গভীরতা বেশী। সেখানে পুজো করাটা ঝুঁকিপূর্ণ। প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তকে মেনে নেন উদ্যোক্তারা। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে জট কেটে যাওয়ায় খুশী উদ্যোক্তারা।
স্থানীয় সূত্রে আরও খবর, কোভিড পারিস্থিতিতে পুজো হওয়ায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। মাইক বা সাউণ্ড বক্স বাজানো যাবে না। আতশবাজি বা শব্দবাজিও ব্যবহার করা যাবে না। কেবলমাত্র একটি বাজনা ব্যবহার করা যাবে। প্রতি পরিবার পিছু ২ জন করে ঘাটে পুজো করতে পারবেন। ছট পুজোর জন্য র্যাফ-সহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও খবর।

