করোনা ভ্যাকসিনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : পুরোদমে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। এক্ষেত্রে সাফল্যের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী। সূত্রের খবর, মানবদেহে চূড়ান্ত ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই বার্তা রয়েছে। তবে করোনা ভ্যাকসিনের স্থায়িত্ব কতদিন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নও রয়েছে। সূত্রের আরও খবর, একবার নিলেই কাজ হবে, নাকি তা বারবার নিতে হবে, সব মিলিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এক্ষেত্রে গবেষকরা পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরতে পারছেন না। এরফলে চিন্তা বেড়ে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকারেও।
এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, কতদিন থাকবে এই ভ্যাকসিনের গুণাগুণ। আইসিএমআর-এর এপিডেমিওলজি অ্যান্ড কমিউনিকেবল ডিজিজেস বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি নতুন ভাইরাস, ভ্যাকসিনও নতুন, তাই ঠিক কতদিন স্থায়িত্ব বজায় থাকবে, তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। এখনও পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে, বছরখানেক থাকবে এই ভ্যাকসিনের প্রোটেকটিভ মেমরি। অন্যদিকে দেশব্যাপী ভ্যাকসিন ট্রায়ালের নজরদারির অন্যতম দায়িত্বে থাকা আইসিএমআর-এর বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের সূত্রের খবর, ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন সাধারণত এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। করোনাও এক ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ। তাই আশা করা হচ্ছে, করোনার ভ্যাকসিনের স্থায়িত্বও সেরকমই হতে পারে। আবার এমনও হতে পারে সোয়াইন ফ্লু-র মতো করোনাও একপ্রকার ভ্যানিশ হয়ে গেল। তাহলে আর বছর বছর ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রশ্নই থাকবে না। এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রেইন বদল করেছে। সেই মতো ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করা হতে পারে। সবাইকে তা দিতেই হবে, এমনটা নয়।

