যশ রাজ ফিল্মসের প্রয়াস
যশ রাজ ফিল্মসের প্রয়াস। সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে কাজ করা ৩০ হাজার শিল্পীর ভ্যাকসিনেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে তাঁরা।
যশ রাজ ফিল্মসের প্রয়াস। সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে কাজ করা ৩০ হাজার শিল্পীর ভ্যাকসিনেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে তাঁরা।
রাজ্যে করোনা আবহে প্রতিষেধক নেওয়া গ্রাহকের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লক্ষের কাছাকাছি। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত মোট ৪৯ লক্ষ ৬২ হাজার জন প্রতিষেধক নিয়েছেন।
নেপালকে উপহার। সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি করোনা প্রতিষেধকের এক লক্ষ ডোজ নেপালের সেনাবাহিনীকে উপহার দিল ভারতীয় সেনা।
১ মার্চ থেকে করোনা টিকা বয়স্কদের। সূত্রের খবর, স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কারদের পর এবার আগামী ১ মার্চ থেকে ২৭ কোটি সাধারণ মানুষের টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ভারতে তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এখন এমনকি চালাক চীনও অনিচ্ছার সাথে বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছে যে, তার দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশটির তৈরি করা ভ্যাকসিন মানের দিক থেকে কারও থেকে পিছিয়ে নেই। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, ভারতীয় ভ্যাকসিন চীনা ভ্যাকসিনের…
আজ সল্টলেকের দত্তাবাদে শুরু হলো করোনার ভ্যাকসিনের ড্রাই রান।
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনা টিকাকরণের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চলছে মহানগর কলকাতায়। শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চলছে তার পরীক্ষা। সূত্রের খবর, সাগরদত্ত হাসপাতালে শুরু হয়েছে রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভি-এর পরীক্ষা এবং স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে চলছে কভম্যাক্সের পরীক্ষা। এছাড়া নাইসেডে চলছে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষা। এই মানব পরীক্ষায় সামিল হয়েছিলেন স্বয়ং রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীশ ধনকর ও…
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনার টিকার গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সবার নজর ছিল অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনিকার প্রচেষ্টার দিকে। সংস্থাটির সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তাদের টিকার কার্যকারিতা ৭০.৪ শতাংশ। পাশাপাশি ফাইজারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৯০ শতাংশ সাফল্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যায়।
পুরোদমে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। এক্ষেত্রে সাফল্যের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী। সূত্রের খবর, মানবদেহে চূড়ান্ত ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই বার্তা রয়েছে।
করোনা পরিস্থিতির চরিত্রে ক্রমশ বদল ঘটছে। এক্ষেত্রে একটা মহলের আশঙ্কা, ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আসতে পরিস্থিতি বদল হয়ে যাবে। তাঁরা মনে করছেন, তৈরি করা ভ্যাকসিন আর কাজে আসবে না।