নির্বাচনী পরিক্রমা- আজকের জেলা আলিপুরদুয়ার
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : বাংলার ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৮ দফা ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৯১৬টি। একুশের এই নির্বাচনে জেলাওয়াড়ি একঝলক ভোট- চিত্র তুলে ধরছি আমরা।
এবারের জেলা- আলিপুরদুয়ার। এই জেলায় আসন সংখ্যা মোট ৫টি। নির্বাচনী নির্ঘন্ট- চতুর্থ দফা (১০ এপ্রিল) এই দফায় ৫টি কেন্দ্রে ভোট হবে। যেসব কেন্দ্রে ভোট হবে সেগুলি হল- আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট, কালচিনি ও কুমারগ্রাম।
গত বিধানসভা নির্বাচনে যে চিত্র ছিল তা একনজর। বিধানসভা কেন্দ্র ও বিজয়ীরা হলেন- আলিপুরদুয়ার- সৌরভ চক্রবর্তী (তৃণমূল), ফালাকাটা- অনিল অধিকারী (তৃণমূল), মাদারিহাট- মনোজ টিগ্গা (বিজেপি), কালচিনি- উইলসন চম্প্রমারি (তৃণমূল) এবং কুমারগ্রাম- জেমস কুজুর (তৃণমূল)।
উল্লেখ করা যায়, ফালাকাটার বিধায়ক অনিল অধিকারী প্রয়াত হয়েছেন। অন্যদিকে কালচিনির বিধায়ক বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন।
জেলা-পরিক্রমা করে স্থানীয় মানুষদের যে দাবি উঠে এসেছে তা হল- চা-বাগানগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জল ও বিদ্যুতের পরিকাঠামো ও পর্যটনের প্রসার প্রভৃতি বিষয় রয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলা সদরে দ্বিতীয় কালজানি সেতু ও কৃষি জমিতে সেচের ব্যবস্থার বিষয়গুলি রয়েছে। কর্মসংস্থানের জন্য শিল্প পরিকাঠামোর উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলেও দাবি।
উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে- আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও তপসিখাতা আয়ুষ হাসপাতাল ও ফালাকাটায় আউটডোর স্টেডিয়াম প্রভৃতি দাবিগুলি সামনে এসেছে। সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, আলিপুরদুয়ার শহরে পরিস্রুত পানীয় জল প্রকল্প ও সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের বিষয়টি রয়েছে। বন্ধ চা-বাগান খোলার বিষয়টিও প্রকাশ্যে। চা সুন্দরী প্রকল্পে চা শ্রমিকদের সহায়তার বিষয়টিও রয়েছে। পাট্টা বিলি, এথেলবাড়ি ও জয়গাঁয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব, রাস্তা সংস্কার, নদীবাঁধ ও কালভার্ট তৈরি, কৃষিমান্ডি ও কৃষি জমিতে সেচের বন্দোবস্ত প্রভৃতি বিষয়গুলি আলোচনায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পৃথক জেলা, আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, আয়ুষ হাসপাতাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রভৃতি বিষয় সামনে এসেছে নির্বাচনে।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন মানুষের বিভিন্ন অভিযোগও। চা শ্রমিকদের সমস্যা রয়েছে। শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নিয়েও টালবাহানা রয়েছে বলেও অভিযোগ। জেলায় শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুরাহা হয়নি বলে বেড়ে গিয়েছে বেকারত্ব, এমনও অভিযোগ। গোরু পাচারের অভিযোগও প্রকাশ্যে। কাটমানি ও তোলাবাজি নিয়েও অভিযোগ বিভিন্ন এলাকায়। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে।
খবরটি পড়ে ভাল লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

