স্কুলে মিড-ডে মিলের সামগ্রী বিতরণে প্রস্তুতি
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : মিড-ডে মিল বিতরণে বিধি মেনে প্রস্তুতি স্কুলে। করোনা আবহের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। এই অবস্থায় কলকাতার বেশির ভাগ স্কুলে শুরু হচ্ছে মিড-ডে মিলের সামগ্রী দেওয়ার কাজ। সরকারিভাবে জানা গিয়েছে, ৩ দিন ধরে চলবে এই প্রক্রিয়া। এবার শুধু মিড-ডে মিলের সামগ্রী ছাড়াও প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জুতো ও পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলব্যাগ দেওয়া হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে করোনা-বিধি মেনে এই মিড-ডে মিলের সামগ্রী দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু স্কুলগুলির। এক্ষেত্রে আরও জানানো হয়েছে, যেসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা হাজারেরও বেশি, সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৩ দিনের মধ্যে মিড-ডে মিলের সামগ্রী বিতরণ করা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে। শিক্ষকদের একাংশ বিষয়টি নিয়ে সংশয়ে।
এ বিষয়ে শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দূরত্ব-বিধি মেনে মিড-ডে মিলের সামগ্রী দিতে গিয়ে অতিরিক্ত দিনের প্রয়োজন হয়। তবে সেই অতিরিক্ত দিন ধার্য করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনওভাবেই স্কুলে অভিভাবকদের ভিড় হতে দেওয়া যাবে না। আবার অভিভাবকেরা কোনও পড়ুয়াকে সঙ্গে করে স্কুল নিয়ে না আসেন, তা-ও দেখার জন্য শিক্ষকদের বলা হয়েছে। পাশাপাশি মিড-ডে মিল দেওয়ার আগে স্কুল চত্বর যাতে ভালভাবে জীবাণুমুক্ত করা হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষকে।
অনেক স্কুলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্কুলে কয়েক হাজার পড়ুয়া রয়েছে। ৩ দিন ধরে দূরত্ব-বিধি মেনে মিড-ডে মিল বিতরণ করা একটা চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেশ কিছু স্কুলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এবার এমন অনেক পড়ুয়া থাকবে, যাঁদের অভিভাবকদের মধ্যে কেউ কেউ করোনা আক্রান্ত। সেক্ষেত্রে ওই পরিবারের কোনও পরিজন সঙ্গে করে কোনও প্রমাণপত্র আনতে পারেন, তা হলে তাঁর হাতে মিড-ডে মিলের সামগ্রী দিয়ে দেওয়া হবে।
আবার কেউ আসতে না পারলে সেই পড়ুয়ার মিড-ডে মিলের সামগ্রী রেখে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, মিড-ডে মিলের সামগ্রীর সঙ্গে এবার জুতো ও স্কুলব্যাগও বিতরণ করা হবে, সেক্ষেত্রে এবার এই কাজের জন্য বেশি সংখ্যায় শিক্ষকদের উপস্থিতি প্রয়োজন। সংক্রমণ এড়ানোর জন্য স্কুলের শিক্ষকদের গণ-পরিবহণের বদলে নিজেদের গাড়ি বা কোনও ভাড়া গাড়িতে স্কুলে আসার পরামর্শ দিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

