Paddy-3Others 

সুন্দরবনে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুগন্ধি ধান চাষ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সুন্দরবনে সুগন্ধি ধান চাষে নজর দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, নিত্য ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কা ও নোনা জল ঢুকে কৃষি-জমি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সুন্দরবন-সহ উপকূলবর্তী এলাকায় প্রতিবছরই এই দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশি সুগন্ধি ধান চাষে বিশেষ নজর দিতে চলেছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ ফলনশীল ধানের তুলনায় এটির উৎপাদন কম।

বন্যার পর দক্ষিণবঙ্গে কিছু দেশি ধানই জমি ও কৃষি-জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। বেশ কিছু এলাকায় দেশি সুগন্ধি চালের উৎপাদনে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কৃষি দফতর ও স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, বর্ধমান ও নদিয়ার গোবিন্দভোগ, দিনাজপুরের তুলাইপাঞ্জি, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের কালো নুনিয়া, বীরভূম ও বাঁকুড়ার রাঁধুনিপাগল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের ঝড় ও প্লাবনপীড়িত এলাকায় কনকচূড়, চামরমণি, দুধের সর, হরিণখুরির নাম উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে আরও জানা যায়, বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের প্রয়াসে ওই সব ধানের চাষ শুরু করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উল্লেখ করা যায়, গত বছর জুন মাসে দিল্লিতে ‘প্রোটেকশন অব প্ল্যান্ট ভ্যারাইটিজ অ্যান্ড ফার্মার্স রাইটস অথরিটি’-র স্বীকৃতি পায় হরিণখুরি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সাগরদ্বীপ, গোসাবা, পাথরপ্রতিমা ও নামখানা-সহ বেশ কিছু এলাকায় আম্ফান ও যশ ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত চাষিদের মধ্যে হরিণখুরির বীজ বিলির কাজ শুরু হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সুগন্ধি চাল প্রকল্পে পূর্ব মেদিনীপুরেও এই ধানের চাষ চলেছে বলে খবর। প্রাকৃতিক বিপর্যয়জনিত কারণে অনেক জায়গাতেই বীজতলা ডুবে গিয়েছে। এক্ষেত্রে যৌথ বীজতলা তৈরি করে বীজ রোপণ চলছে বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে গুরুত্ব পেতে চলেছে দেশি ধান চাষও।

Related posts

Leave a Comment