জেনে নিন সুস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধে বেশ কিছু খাবার উপকারী
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:করোনা সংক্রমণ ও ভাইরাসের প্রভাব এখনও ভাবিয়ে তুলছে মানুষকে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বিশ্বজুড়ে প্রভাব ফেলেছিল। এখন মানুষ নিজেদের স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। খাদ্য তালিকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। তার মধ্যে তৃতীয় ঢেউ ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে ভাবিত দেশের মানুষ । এইসময় নিজের যত্ন নেওয়া জরুরি । এই আবহে আয়রন, মিনারেল, ভিটামিন ও প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে কিছু খাবার নিয়ে আলোচনা করা হল। এইসব খাবারগুলি দেহের ইমিউনিটি বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে। পাশাপাশি দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যেমন-পালং শাক,ড্রাই ফ্রুটস,ডাল,সোয়াবিন,আলু প্রভৃতি।
এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পালং শাক আয়রনের সবথেকে ভালো উৎস। যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সহায়তা করে । আয়রন ছাড়াও সবুজ পাতার মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ও ফসফরাস। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে এটি। আবার ড্রাই ফ্রুটস এই সময় উপকারী। যেমন- কিশমিশ, আঞ্জির শরীরের জন্য প্রয়োজন হয় । এতে প্রচুর আয়রন থাকে। শরীরে আয়রনের অভাব দেখা দিলে ড্রাই ফ্রুটস খেতে পারেন। দেহে রক্তের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য সহায়তা করে এগুলি।
অন্যদিকে ডাল শরীরের জন্য এইসময় উপকারী। এতে প্রচুর আয়রন থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এক কাপ ডালে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। শরীরে আয়রনের রোজের চাহিদা অনুযায়ী ৩৭ শতাংশ ডাল থেকে মেলে। প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকে সোয়াবিনে। এক্ষেত্রে জানা যায়, ১০০ গ্রাম সোয়াবিনে ১৫.৭ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। সোয়া জাতীয় খাবারও রাখা যেতে পারে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। দেহের আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে থাকে সোয়াবিন। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয় আলু। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বর্তমান । একটি কাঁচা আলুতে ৩.২ মিলিগ্রাম আয়রনের উপাদান রয়েছে। আবার আলুতে ফাইবার, ভিটামিন-সি ও পটাশিয়াম থাকে। যা এই সময় শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

