পাহাড়ে জিটিএ নির্বাচনী তৎপরতা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল পাহাড়ে জিটিএ নির্বাচন। দার্জিলিংয়ের পুরসভা ভোটের ফল বের হয়েছে। পাহাড়ে রাজনৈতিক দলগুলি অনেকটাই বুঝে নিয়েছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে পাহাড়ের জিটিএ ভোট নিয়ে তৎপরতা। জুন মাসে ভোট ঘোষণা হয়। প্রশাসনিক স্তরে ভোট করানোর জন্য ব্যস্ততা বেড়েছে।
উল্লেখ করা যায়, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় ২৬ জুন ভোট করানোর বিষয়টি । জুন মাসেই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচন। আবার পাহাড়ে বাকি থাকা ৩টি পুরসভার ভোট করানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর,পাহাড়ে এখন পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’টি স্তর রয়েছে। এক্ষেত্রে সংশোধনী এনে জেলা পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে ।
অন্যদিকে পাহাড়ের পঞ্চায়েত নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ঢিলেমির অভিযোগ সামনে এনেছে রাজ্য। পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবি জোরালো হয়েছে। জিটিএ-র ভোট পর্বের পর গোটা রাজ্যের সঙ্গে সেই ভোট পর্বও মিটিয়ে ফেলতে প্রচেষ্টা নিচ্ছে রাজ্য সরকার।
উল্লেখ করা যেতে পারে,গত ২৬ অক্টোবর কার্শিয়াং সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড় সমস্যার সমাধানের কথা জানিয়েছিলেন। সমস্ত দলকে একজোট হওয়ার বার্তাও দেন। পাহাড়ের বিবিধ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। অনীত থাপা-বিমল গুরুং ও রোশন গিরিদের সঙ্গে একপ্রস্ত আলোচনা হয়েছে বলেও জানা যায়। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল- বিনয় তামাং তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে পাহাড়ের নতুন আঞ্চলিক দল হিসেবে হামরো পার্টি সামনে এসেছে। এই অবস্থায় পাহাড়ে পঞ্চায়েত ভোটকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার কথা ভাবা হচ্ছে। প্রশাসনিক এই পদক্ষেপকে পাহাড়ের প্রায় সব আঞ্চলিক দল সহমত হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।
সূত্রের আরও খবর, হামরো পার্টির নেতা অজয় এডওয়ার্ড এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন,”পাহাড়ে নির্বাচনে তারা একক শক্তিতে লড়াই করছে। অজয় বিমল-অনীত সুযোগ পেয়েও পাহাড়ের উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়নি। আমরা সেই উন্নয়ন করতে চাই”।
তবে অন্য সুর রোশন গিরির। এখনই জিটিএ ভোট না করার পক্ষে সহমত নন তিনি। আবার ভোট ঘোষণা হওয়া মাত্র জিটিএ ভোটের বিরোধিতা করে ধর্ণায় বসেন বিমল গুরুং। তবে পাহাড়ে জিটিএ নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে বলে জানা গিয়েছে। (ছবি: সংগৃহীত)

