বাঙালির চিন্তায়-কল্পনায় ও কর্মসাধনায় শ্রীচৈতন্যদেব
একটা সময় বাংলার সমাজ ও সাহিত্যে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। সেই সঙ্কটে মানবতার পূজারী হয়ে উঠেছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। আমরা সবাই জানি,নদিয়ার নবদ্বীপ ধামে ১৪৮৬ সালের ফাল্গুন মাসের দোলপূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন এই মহামানব। যার ডাকনাম নিমাই। গায়ের রঙ গৌড়বর্ণের কারণে তাঁকে গ্রামের মানুষ গৌরাঙ্গ বা গোরা বলে ডাকতেন। কাব্য-ব্যাকরণ ও ন্যায়শাস্ত্রে পান্ডিত্য অর্জন করেছিলেন। বাংলার সমাজ -সাহিত্য ও জাতীয় জীবনে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব যুগান্তকারী। প্রেমধর্মের আদর্শ প্রচার করে বাঙালিকে চিন্তায়,কল্পনায় ও কর্মসাধনায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজ গঠনে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। নতুন প্রেরণার উৎস তিনি। কৃষ্ণপ্রেম কথা প্রচার করে হিন্দু-অহিন্দু,পণ্ডিত-মুর্খ,ধনী-দরিদ্র সবার মধ্যে ভক্তিধর্ম প্রচার করেছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। মানবিক প্রেমধর্ম প্রচার করেই তিনি মানবতার পূজারী হয়ে উঠেন।

