হাইপারটেনশন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : অসুখ এবং অসুস্থতার ধরণ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াস। এক্ষেত্রে বছরের একটি নির্দিষ্ট দিন সংশ্লিষ্ট ব্যাধি দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই সংস্কৃতি শতাব্দীপ্রাচীনও। ২০০৫ সালে এই অসুখ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। দিনটা ছিল ১৪ মে। তবে প্রতি বছর ১৭মে ‘ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে’ পালনের রীতি-রেওয়াজ শুরু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকরা বলছেন, হাইপারটেনশন কার্যত বেশ কিছু মাত্রায় একটি লাইফস্টাইল ডিজিজ। এক্ষেত্রে জীবনযাপনের ধরন যদি সুস্থ ও সুষ্ঠু না হয়, সেক্ষেত্রে এই রোগ ব্যক্তিবিশেষকে গ্রাস করে থাকে। ব্যাধির বিস্তার সংক্রান্ত নানা সমীক্ষাও হয়েছে। বেশিরভাগ লাইফস্টাইল ডিজিজ আধুনিক সময়েই বেড়েছে। সেই লক্ষ্যে ২০০৫ সালে হাইপারটেনশন নিয়ে পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। এই অসুখ নিয়ে বিশ্বকে সচেতন করার প্রয়াস পূর্বে ছিল না।
উল্লেখ করা যায়,২০০৫ সালের ১৪ মে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ নামের একটি সংস্থা প্রথম এই অসুখ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সমাবেশের আয়োজন করেছিল। এক্ষেত্রে জানা যায়, এটি কোনও একক সংগঠন নয়। হাইপারটেনশন নিয়ে কাজ করেছে ৮৫টি গোষ্ঠী। আবার ২০০৬ সালে এই গোষ্ঠীর অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৭ মে। সেই থেকে এই পর্যন্ত প্রতি বছর ১৭ মে দিনটি ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় বয়স্করা হাইপারটেনশনে আক্রান্ত হন বেশি। কাজের চাপ, অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, ধূমপান, শরীরচর্চার অভাবে হাইপারটেনশন হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
করোনা আবহে হাইপারটেনশন নিয়ে বিশেষ সচেতন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এই ব্যাধির সবক’টি মূল কারণই করোনাকালে জীবনযাত্রায় অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে উঠছে। এই আবহে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ সূত্রে জানানো হয়েছে, ব্লাড প্রেশার নিয়মিত সঠিক ভাবে মাপা হলেই হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভ করাও সম্ভব হবে।

