আশীর্বাদ নেওয়াই শিক্ষা

blessings

“ঈশ্বর” মানে কি আসলে আমরা ঠিক জানি না বা বুঝি না। অনেকে বলেন তিনি অধিপতি। যিনি আমাদের ধারন ও পালন করে থাকেন। মনুষ্য জনমে আমাদের উপলব্ধি -আপদ-বিপদ, দুঃখ -দৈন্যে আমরা যাঁকে আহ্বান করি তিনিই “ঈশ্বর”। মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে প্রার্থনা করি, নত হই। ঈশ্বরের আরাধনা বা প্রার্থনা করা মানে প্রকৃষ্টরূপে জীবনে চলা। সেই চলার ভিতর যেন ভক্তি থাকে। ঈশ্বরের বাঁধন অটুট থাকে অন্তরের ভক্তি ও সাধনায়। একমাত্র অধিপতি যিনি তিনি আবার দীন-দুনিয়ার মালিকও। অন্যদিকে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথি গুরু পূর্ণিমা। দিনটির তাৎপর্য হল- গুরু বা আধ্যাত্মিক শিক্ষক ও পথপ্রদর্শকদের প্রতি শ্রদ্ধা-কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভক্তি নিবেদন করা। গুরুকে ঈশ্বর সমতুল্য মনে করা হয়ে থাকে। পিতা-মাতা ও গুরুকে প্রণাম নিবেদন করে আশীর্বাদ নেওয়াই শিক্ষা। গুরু- শিষ্যের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এই বিশেষ দিনটি। আশ্রম ও বিদ্যালয়ে বিশেষ নিয়মে এখনও পালিত হয়। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বলেছেন, “সংসার করছো তাতে দোষ নাই; তবে ঈশ্বরের দিকে মন রাখতে হবে। তা যদি না রাখো, তবে সংসারে জড়িয়ে পড়বে। এক হাতে সংসারের কাজ করো, আর এক হাতে ঈশ্বরের পাদপদ্ম ধরে থাকো। সংসারের কাজ শেষ হলে, দুই হাতে তাঁকে ধরবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *