করোনা আবহে বদলে গিয়েছে আমাদের বাঁচার ধরন- ধারণ : সমীক্ষা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:পয়সার চেয়ে পরিবার আগে। আবার কেরিয়ারের চেয়ে স্বাস্থ্য। একটি সমীক্ষায় এমনই তথ্য সামনে এসেছে। করোনা আবহে গত ৬ মাসে বদলে গিয়েছে আমাদের বাঁচার ধরন- ধারণ। আমাদের চাওয়া-পাওয়াও পরিবর্তন হয়েছে। আইসোবার এবং ইপসস নামের দুই সংস্থা যৌথভাবে সমীক্ষা চালিয়ে যে তথ্য সামনে এনেছেন তাতে বলা হয়েছে, ১৩ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের বাঁচার মানেটাই বদলে গিয়েছে নিউ নর্মাল সময়ে।জানা যায়, দিল্লি, কলকাতা, ভুবনেশ্বর, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও বিজয়ওয়াড়া সহ ৮টি শহরের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে চালানো হয় সমীক্ষা। করোনা পরিস্থিতিতে জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে । জীবনযাপনের মূলে রয়েছে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি। এক্ষেত্রে সেই জায়গায় কোনও বদল এসেছে কিনা,তা জানার চেষ্টা হয়েছে। সমাজে বাঁচার জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। তা না হলে পড়তে হবে বিপদের মুখোমুখি। খাবার, পোশাক ও চিকিৎসার জন্য অর্থের দরকার রয়েছে।
সমীক্ষাকারী সংস্থা ইপসসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিড- ১৯ বা করোনা সংক্রমণকালে আমাদের দৈনন্দিন জীবন রীতিমতো বদলে দিয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা সফল কেরিয়ার, ভালো বেতনের চাকরি প্রভৃতির চেয়ে নিজ-স্বাস্থ্য, আপনজনের স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ভালো সময় কাটানো সহ বিষয়গুলির ওপর বেশি নজর দিচ্ছে। সমীক্ষাতে বলা হয়েছে, পরিবর্তনের ধারার বিষয়টি। সমীক্ষাটি প্রথমে হয়েছিল মার্চ মাসে। লকডাউন তখন শুরু হয়নি। জেনারেশন জেড-এর মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে,এমনটা আন্দাজ করা হয়েছে। এরপর আবার নতুন করে সমীক্ষা চালানো হয়। প্রাথমিক পর্বের সমীক্ষার ফলাফলে জানানো হয়েছে, জেনারেশন জেড জীবনে সব চেয়ে আগে একটি সফল পেশাগত জীবন চাওয়া হয়েছে। আবার অল্প বয়সে বেশি পরিমাণ অৰ্থ রোজগার করতে চাওয়া ও খ্যাতি-জনপ্রিয়তা লাভ করতে চাওয়া হয়েছে। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা এবং পরিবারকে সময় দেওয়া এই দুটি অগ্রাধিকার তালিকায় পরের দিকে থাকে। এ থেকে বোঝা যায় ,করোনা আবহে ৬ মাসের মধ্যে চিত্রটা বদলে গিয়েছে।

