ঘূর্ণিঝড় “যশ” মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় “যশ” মোকাবিলায় জেলাশাসকদের একগুচ্ছ নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন তিনি।ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। উল্লেখ করা যায়, গত বছর মে মাসের ২০ তারিখ রাজ্যে আছড়ে পড়েছিল সুপার সাইক্লোন আম্ফান। এ বছর আবারও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য সতর্ক করতে হয়েছে।
নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,“গত বছর এক দুর্যোগ সামলাতে হয়েছে। আবার এই বছর একটা দুর্যোগ আসছে। বছর বছর এসব আসছে। আমি কাল বৈঠক করেছি। উপকূলের জেলাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। রিলিফ সেন্টারগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে দিঘা, মন্দারমণি ও উপকূলের জেলা গুলোকে।”
সূত্রের খবর,দুর্যোগ মোকাবিলায় সমস্ত জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মীদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের বৈঠক হয়েছে। এই বিপর্যয়ের ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাইক্লোন সেন্টারগুলিকে প্রস্তুত থাকতে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। আবার সেখানে চিড়ে, গুড়, বেবি ফুড, জল, স্যানিটাইজার, জেনারেটার সহ যাবতীয় বন্দোবস্ত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে স্কুল ওকলেজগুলিকে সাইক্লোন সেন্টার হিসেবে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে সজাগ থাকতেও বলা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সতর্ক করার কাজ চলছে। করোনা প্রতিরোধেও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। করোনা মহামারি রাজ্যের মানুষদের বিপর্যস্ত করে চলেছে। তাই সতর্ক থাকতে নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে।
সমুদ্রে ও নদীতে যে সব মৎসজীবী মাছ ধরতে যান তাঁদের নিষেধ করা হয়েছে। আগামী ২২ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপকূল অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় “যশ” আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য যাবতীয় তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

