ঘূর্ণিঝড় ও জলের স্রোতে বিপর্যয়
“যশ” বিপর্যস্ত দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূ্র্ব মেদিনীপুরের একাধিক গ্রাম। ঘূর্ণিঝড় যশ তাণ্ডবে অনেক মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। ঝড় ও জলের স্রোতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। ভেসে গিয়েছে ফসলের ক্ষেত,ঘর-বাড়ি সব কিছু।
“যশ” বিপর্যস্ত দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূ্র্ব মেদিনীপুরের একাধিক গ্রাম। ঘূর্ণিঝড় যশ তাণ্ডবে অনেক মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। ঝড় ও জলের স্রোতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। ভেসে গিয়েছে ফসলের ক্ষেত,ঘর-বাড়ি সব কিছু।
উত্তর ২৪ পরগণার পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগরেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৷ সূত্রের খবর,”যশ” তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও রকম বেনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না ৷ উত্তর ২৪ পরগণার উপকূলবর্তী এলাকাগুলি পরিদর্শন করে হিঙ্গলগঞ্জে প্রশাসনিক বৈঠকে রীতিমতো কড়া এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
ক্ষমতা হারিয়ে সাইক্লোন “যশ” এখন শক্তিশালী নিম্নচাপ। এখনও ভয় রয়েছে ভরা কোটালের। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর,গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ইয়াসের অবস্থানের জেরে বৃষ্টি শুরু হচ্ছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বেশ কয়েকটি জেলায়।
বৃষ্টি -তীব্র জলস্তর বৃদ্ধি ও ভরা কোটালের জেরেই বানভাসী হল বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকা। মৌসুনি দ্বীপে “যশ” তাণ্ডব। বহু মাটির বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে প্লাবিত বালিয়াড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। যশ-দাপটে উত্তাল সমুদ্র -নদী। তীব্র জলস্ফীতিতে বন্যা পরিস্থিতি।
“যশ” মোকাবিলায় রাজ্যের প্রায় ৭৪ হাজার সরকারি কর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছে। এই রোষ থেকে বাঁচানোর জন্য রাজ্যের প্রায় ৯ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আম্ফানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে “যশ” মোকাবিলায় সতর্ক সিইএসসি ৷ সংস্থার পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করাও হয়েছে। সূত্রের খবর,ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা যাতে ভেঙে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে সংস্থা ৷
বুধবার “যশ” এর সঙ্গে রয়েছে ভরা কোটালও। এ বিষয়ে দিঘা-মন্দারমণিতে সতর্ক বার্তা দিয়েছে প্রশাসন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ইতিমধ্যে এন ডি আর এফ ও এস ডি আর এফ পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, ঘূর্ণিঝড় “যশ”আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় । এই আবহে সমুদ্র তীরবর্তী গ্রামগুলিতে চলেছে জোরদার নজরদারি।
ঘূর্ণিঝড় “যশ”-এর আশঙ্কায় শঙ্কিত রাজ্য। এর জেরে সতর্কতাও জারি করেছে কৃষি দফতর। ঝড়ের পূর্বাভাসের পূর্বেই সতর্ক-বার্তা কৃষকদের। উল্লেখ করা যায়,গত আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয় -ক্ষতি হয়েছিল চাষের জমি ও কৃষি ফসলের।
বাঁচানোর প্রয়াস সুন্দরবনকে। এ বিষয়ে বিশেষ পুলিশ বাহিনী গড়েছে রাজ্য। সুন্দরবনে “যশ” মোকাবিলায় তৎপর রাজ্য প্রশাসন। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর,এগিয়ে আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় “যশ” ।
ঘূর্ণিঝড় “যশ” নিয়ে সতর্ক রেলও।একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলায়। পূর্ব রেল সূত্রের খবর, আপৎকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কারশেড বা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন বাঁধা থাকবে চেন দিয়ে।