রূপনারায়ণের জলে প্লাবিত খানাকুলের বিভিন্ন এলাকা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: রূপনারায়ণের জলে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি জলের তলায়। খানাকুলের বাড়নন্দনপুর গ্রামের চেহারা বদলে গিয়েছে। যাতায়াতের মাধ্যম এখন নৌকা। আবার আকাশে ঘন কালো মেঘ, চিন্তা বাড়াচ্ছে সেখানকার মানুষের। স্থানীয় সূত্রের খবর, আরামাবাগ, খানাকুল, গোঘাট প্রভৃতি এলাকা বন্যা প্রবণ। প্রতি বছর বন্যায় এই সব এলাকার মানুষদের দুর্ভোগ বাড়ে। চলতি বছরেও একই অবস্থা হয়েছিল।
হুগলি জেলার এই সব এলাকা রুপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী, দামোদর নদী দিয়ে ঘেরা। রুপনারায়ণের জলে ভেসেছে খানাকুলের একাধিক গ্রাম। তার জেরেই জলের তলায় চাষের জমি। প্রত্যেক বছরই এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়।স্থানীয় মানুষের বক্তব্য, ব্যারেজ জল ছাড়লেই চাষের জমি জলের তলায়। ভারী বৃষ্টি হলেও জলের তলায় চলে যায় জমি। পটল, উচ্ছে সহ-মরশুমি সবজি সব জলের তলায় চলে গিয়েছে। সব ফসল একপ্রকার পচে গিয়েছে। কবে জল নামবে তা জানা নেই কারও।
খানাকুলের গড়েরঘাটের রাস্তার দু’ধারে বিঘের পর বিঘে জমি জলের তলায়। এখনও প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট জলের উচ্চতা রয়েছে। জলমগ্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন হুগলি জেলার পুলিশ সুপার তথাগত বসু। বাসাবাটি, জগৎপুর-সহ একাধিক গ্রাম তিনি ঘুরে দেখেছেন।পুলিশ সুপার তথাগত বসু জানিয়েছেন, জলবন্দি এলাকার মানুষের খোঁজ নিতেই আমরা এসেছিলাম।

