PeeraHealth Others 

ইছামতী মিল্ক ইউনিয়নের অভিনব উদ্যোগ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ নববর্ষে বিভিন্ন স্বাদের পেঁড়া তৈরিতে উদ্যোগী হল ইছামতী মিল্ক ইউনিয়ন। সংস্থার তৈরি বিভিন্ন স্বাদের খাঁটি দুধের পেঁড়া আগামী জানুয়ারিতে বাজারে আসছে। জানা গিয়েছে, মূলত তিন ধরণের মিষ্টি বাজারে পাওয়া যাবে। যেমন- ক্ষীর, আসল কাজু এবং দুধের সংমিশ্রণে তৈরি একটি বিশেষ পেঁড়াও রয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের জন্য সুগার-ফ্রি পেঁড়াও রাখা হচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দারা ইছামতীর স্টল থেকে এই মিষ্টি কিনতে পারবেন। এছাড়া মাদার ডেয়ারির মাধ্যমে পেঁড়াকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রেরণ করা হবে। শুধু শীতের সময়ই নয়, শীত শেষ হলে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির মতো তাদের ‘ফ্লেভার মিল্ক’ আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা যায়, ইছামতী মিল্ক ইউনিয়ন কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন দুধ উৎপাদনকারী সমবায়ের মাধ্যমে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দুধ সংগ্রহ করে আসছে। যার বেশিরভাগই মাদার ডেয়ারিতে প্রেরণ করা হয়। এই মিল্ক ইউনিয়ন কোম্পানি বাকি দুধ থেকে পেঁড়া, লস্যি, পনির ও ঘি তৈরি করে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইছামতীর পেঁড়ার চাহিদা বাজারে প্রচুর। এই বিষয়টি মাথায় রেখে ৩ ধরণের পেঁড়া তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে ইছামতী মিল্ক ইউনিয়ন ।
ইউনিয়ন সূত্রের আরও খবর, প্রথমে সংস্থার শ্রমিকরা হাতে হাতে পেঁড়া তৈরি করতেন। এইভাবে দিনে সর্বোচ্চ তিন হাজার পেঁড়া তৈরি করা সম্ভব হত। বর্তমানে স্বয়ংক্রিয় মেশিন প্রতি ঘন্টায় ছয় হাজার পেঁড়া তৈরি করা হয়। এতে উৎপাদন খরচও কম হয়। তবে বাজারে পেঁড়ার দাম কত টাকা হবে সেটা এখনও আধিকারিকরা স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি।

Related posts

Leave a Comment