বর্ষাকালে রোগের মোকাবিলায়

Fighting diseases during the monsoon

পুরোদমে বর্ষার মরশুম। জলবাহিত রোগের প্রকোপ কিন্তু বাড়তেই থাকে। এই সময় সুরক্ষিত থাকতেই হবে। মনে রাখবেন, বর্ষায় ডায়েরিয়া ও টাইফয়েডের মতো রোগের প্রকোপ ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি পেট ব্যথা, আমাশা, জ্বর-কাশি ও সর্দির প্রভাব বাড়ে।

বর্ষাজনিত রোগের মোকাবিলায় যা নজরে রাখবেন তা এক নজর জেনে নিন। (১) দেহে বিশুদ্ধ জলের ভারসাম্য বজায় রাখবেন। নুন-চিনির শরবত বা ডাবের জল দ্রুত শরীরে জলশূন্যতা দূর করে। (২)অতিরিক্ত তেল-মশলা যুক্ত খাবার খাবেন না। হালকা খাবার খেতে হবে। (৩) ফল ও সব্জি ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে খাবেন। (৪) খনিজ ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন, মদ্যপান, অতিরিক্ত চা বা কফি পান শরীরে জলশূন্যতা তৈরি করে।

সব সময় মাথায় রাখবেন, জলবাহিত রোগ হলে পেটের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। এই সময় হালকা খাবার খাওয়া দরকার। অল্প অল্প খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে হজমের সমস্যা হবে না। ফল ও সব্জি খেতে পারেন। বর্ষার আবহে পেঁপে, তরমুজ, আঙুর প্রভৃতি ফল খাওয়া যেতে পারে। আবার সব্জির মধ্যে কুমড়ো, লাউ ও শশা পেটের পক্ষে খুবই উপকারী। তবে তা ভালো করে ধুয়ে খাওয়া জরুরি।

বর্ষা ঋতুতে খনিজ এবং পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়। বমি বা মলত্যাগ বেশি মাত্রায় হলে শরীর থেকে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান বের হয়ে যায়। আক্রান্ত রোগীরা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে কলা ও পালং শাক খাওয়া যেতে পারে। স্যুপ জাতীয় খাবার এই সময় ভালো। পেটের উপর চাপ সৃষ্টি করে না। শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটে না। নিয়মগুলো মেনে ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *