কিডনির সমস্যা থেকে মুক্ত হতে কি করবেন ?
কিডনির সমস্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় ইউরিক অ্যাসিডের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সমস্যামুক্ত হতে ঠিক কতটা জল খাবেন? ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়েছে, ইউরিক অ্যাসিড রক্তে অধিক পরিমাণে মিশলে কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ইউরিক অ্যাসিড অতিরিক্ত বাড়লে গেঁটে বাত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই সমস্যা দূর করার জন্য নিয়ম মেনে জল পান করা জরুরী। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় উদ্বেগ বাড়ছে। সমস্যার মোকাবিলা কিভাবে করবেন তা নিয়ে চিন্তা বেড়েই চলেছে। জীবনযাপনের ধরণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়া, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার প্রবণতা থেকেই উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিড হওয়ার সম্ভাবনা। চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয়- “হাইপারইউরিসেমিয়া”। যা থেকেই কিডনির সমস্যা বাড়তে পারে এবং কিডনিতে পাথর জমতে পারে।
এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ হল- একজন ব্যক্তির ওজনের উপর নির্ভর করে পরিমাণ জল খাওয়া উচিত। ওজন যদি ৬০ কেজি হয়, তা হলে সারাদিনে ২ লিটার জল খেতে হবে। ওজন ৮০ কেজি হলে ২.৬ লিটার জল খেতে হবে। মোটামুটি ২ থেকে ৩ লিটারের কাছাকাছি। কিডনির অসুখ জনিত সমস্যায় নুন কম খেতে হয়। জল খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরি। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে শরীরে জলের প্রয়োজন বেশি হয়। জল ছাড়াও ডাবের জল, শরবত বা তরল পানীয় রয়েছে। ভেষজ চা, ডাবের জল, লেবু-পুদিনা ভেজানো জল, মেথির জল নিয়ম করে পান করা যেতে পারে। তাহলে কিডনি সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বাড়বে।

