জেনে নিন জন্মাষ্টমী পালনের প্রচলিত প্রথা ও তিথির বিষয়
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: পালিত হবে জন্মাষ্টমী। তবে কোন শুভক্ষণে পুজো করলে উপকার পাওয়া যাবে তা জানিয়েছেন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শাস্ত্রবিদরা। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ও রোহিণী নক্ষত্রে শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মূলত সেই ভাবনাতেই জন্মাষ্টমী পালন করার প্রথা প্রচলিত।
এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, কৃষ্ণের ছোটবেলার রূপের বা নাড়ু গোপালের পুজো করা হয়ে থাকে । এবার ৩০ আগস্ট কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হবে।
অষ্টমী তিথির সূচনা হবে ওইদিন। অষ্টমী তিথি সমাপ্তও হবে ৩০আগস্ট। বার হল সোমবার। সময় রাত ১টা ৫৯ মিনিট। জন্মাষ্টমীপুজোর শুভক্ষণ হচ্ছে রোহিণী নক্ষত্র। এই নক্ষত্র শুরু হবে ৩০ অগস্ট, সোমবার সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে। তা শেষ হবে ৩১ আগস্ট, মঙ্গলবার। সময় সকাল ৯টা ৪৪ মিনিট।
পণ্ডিত ও শাস্ত্রবিদরা আরও জানিয়েছেন,৩০ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত পুজোর শুভক্ষণ রয়েছে। আবার ৩০ আগস্ট রাত ১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত রোহিণী নক্ষত্র থাকছে। সেই জন্য ৩০ আগস্টই জন্মাষ্টমী পালিত হচ্ছে। সময় মেনে ৪৫ মিনিটের মধ্যে পুজোর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি জন্মাষ্টমী ব্রতভঙ্গের সময় সূচি হল-৩১ আগস্ট সকাল ৯টা ৪৪ মিনিটের পর।
জন্মাষ্টমীর গুরুত্ব বিষয়ে পণ্ডিত ও শাস্ত্রবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শুভ দিনটিতে আচার ও নিয়ম মেনে কৃষ্ণের পুজো করা হলে মনোস্কামনা পূর্ণ হয়ে থাকে। নিঃসন্তান দম্পতিও এই পুজো নিষ্ঠাভরে করলে সুফল লাভ করতে পারবেন। এই বিশেষ দিনটিতে শ্রীকৃষ্ণ বা গোপালকে সাজিয়ে সুগন্ধীতে স্নান করানোর রীতি প্রচলিত রয়েছে। পরবর্তীতে নতুন পোশাক পরানোর পর দূর্বা ঘাস ও চন্দনে গোপালকে স্নানের পর সাজানো হয়ে থাকে । স্নান করানো পর্ব চলে দুধ দিয়ে।

