বাঙালির স্বাদে এবার পেংবা মাছ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : স্বাদ বদলে চাহিদা বাড়ছে “মণিপুরের পুঁটি” পেংবা মাছের। স্থানীয় সূত্রের খবর, মাছে-ভাতে থাকা বাঙালির স্বাদ বদলে চাহিদা বাড়ছে পেংবা মাছের। এই মাছ পুঁটি গোত্রীয়ও। প্রধানত মিষ্টি জলে চাষ হয়ে থাকে। আবার পেংবা মণিপুরের স্টেট ফিশ। এক্ষেত্রে চাষেও ঝামেলা অনেক কম। এই মাছ রুই, কাতলা ও মৃগেলের সঙ্গে এক পুকুরে চাষও করা যায়। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এই মাছ ১ বছরে প্রায় ৪০০ গ্রামের মতো ওজন হচ্ছে। উল্লেখ্য, হলদিয়ায় বছর দুয়েক আগে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চাষ শুরু হয়। সাফল্য পাওয়ার পর বাড়তে থাকে চাষ।
এখন বেশ কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই মাছের চাষ। মাছটির চারা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল প্রথমদিকে। ভুবনেশ্বরে অবস্থিত সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্রেশ ওয়াটার অ্যাকুয়াকালচার (সিফা) থেকে পেংবা মাছের চারা নিয়ে আসা হত। খরচ বেশি ও সময় লাগার জন্য নতুন ধরনের এই মাছটি চাষের ইচ্ছা থাকলেও অনেক চাষি চারা জোগাড় করতে পারতেন না। বর্তমানে হলদিয়াতে সরকারি অনুদানে গড়ে ওঠা হ্যাচারিতে পেংবা মাছের কৃত্রিম প্রজনন সম্ভব হচ্ছে। আবার কয়েকটি জায়গায় মৎস্য দপ্তরের হ্যাচারিতে পেংবার ডিমপোনা ফোটানো হচ্ছে। এরফলে চাষিরা খুব সহজেই এই মাছের চারা হাতে পাচ্ছেন। চাষের প্রশিক্ষণও মিলছে। হলদিয়ার মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, পেংবা মাছ খুব সহজেই বাড়ির পুকুরে চাষ করা সম্ভব। কৃত্রিম খাবার খাইয়ে বাণিজ্যিকভাবে এই মাছ চাষ করা যেতে পারে।

