নেতাজির স্মরণীয় নথি সংগ্রহে রাখার প্রয়াস
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ১২৫-তম জন্মদিন পালনে নেতাজি সুভাষচন্দ্রের বিভিন্ন স্মরণীয় নথিকে ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিতে চলেছে স্কটিশ চার্চ কলেজ। উল্লেখ করা যায়, প্রেসিডেন্সি কলেজে ওটেন-কাণ্ডের পর বিতাড়িত হতে হয় সুভাষচন্দ্র বসুকে। এরপর তিনি ভর্তি হয়েছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজে। এক্ষেত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ২০টি নথিকে ডিজিটাইজড করার তৎপরতা চলছে বলে খবর। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, নেট-দুনিয়ায় এই নেতাজি সংগ্রহশালাকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
এই কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানা যায়। শীঘ্রই তার উদ্বোধন হবে। স্কটিশ চার্চ কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে থাকবে ছবি। এক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে নেতাজির প্রিয় গানও বাজবে। পরবর্তী সময়ে ভয়েস ওভার করে এই ওয়েবসাইটকে অডিও-ভিসুয়াল করে তোলা সম্ভব হবে। নেতাজিকে সমসাময়িক পরিস্থিতিতে প্রাসঙ্গিক করে তোলার প্রচেষ্টা। প্রসঙ্গত, নেতাজি স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে দর্শনে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন।
আবার কলেজের ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সম্পাদক ছিলেন সুভাষচন্দ্র। এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, নেতাজির জন্মশতবর্ষে স্কটিশ চার্চ কলেজের পত্রিকাতে একটি প্রবন্ধ লেখা হয়। ওই প্রবন্ধে ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সম্পাদক হিসেবে সুভাষচন্দ্রের একাধিক বক্তৃতার আলোচনা পাওয়া যায়। সোসাইটির প্রসিডিংসে তাঁর দ্বিতীয় হওয়ার উল্লেখ পাওয়া যায়। সেই পাতাটি থাকবে। আবার দেশনায়ক হওয়ার পর কলেজে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে একটি খাতায় বাংলায় নিজের নাম সই করেছিলেন তিনি। এক্ষেত্রে সুভাষচন্দ্র বসুর স্বাক্ষরিত সেই পাতাটিও ডিজিটাইজড করা হচ্ছে। পাশাপাশি কলেজে শিক্ষার্থী সুভাষচন্দ্রের ছবি ছিল। তাও তুলে ধরা হবে। নেতাজি জন্মশতবর্ষে বিশেষ পত্রিকা কলেজ প্রকাশ করে, তার প্রচ্ছদ ও ভিতরের পাতাও থাকবে। সব মিলিয়ে সুভাষচন্দ্রের বিভিন্ন স্মরণীয় নথি সংগ্রহে রাখার প্রয়াস চলছে।

